কলকাতা: হাড় কাঁপানো ঠান্ডার স্পেল কি তবে শেষের পথে? মাঘের শুরুতেই কি ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত (Winter)? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস ঠিক সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। রাজ্যজুড়ে কনকনে ঠান্ডার দাপট কিছুটা কমতে শুরু করেছে এবং তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী। ঠিক এই সময়েই দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির ভ্যালেন্টাইনস ডে—সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja 2026)। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, পুজোর দিনে গায়ে কি থাকবে সোয়েটার, না কি মিলবে বসন্তের আমেজে বাসন্তী শাড়ি পরার সুযোগ (Weather Update)?
রবিবার পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে যে হাড়হিম করা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছিল, সোমবার থেকে তার তীব্রতা অনেকটাই কমেছে। আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে সকাল-সন্ধ্যায় শীত থাকলেও দিনের বেলায় রোদের দাপট খানিকটা বাড়বে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে তুলকালাম বিজেপির, ফর্ম ৭ জমা নিয়ে উত্তেজনা
তাপমাত্রা বাড়লেও এখনই শীতকে পুরোপুরি বিদায় জানাতে নারাজ আবহাওয়াবিদরা। জানুয়ারি মাস জুড়েই শীতের আমেজ বজায় থাকবে। বিশেষ করে ভোর ও রাতে ঠান্ডার শিরশিরানি অনুভূত হবে। তবে দুপুরের দিকে রোদের তেজে স্বস্তি মিলবে।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশা ও ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া হবে মনোরম। সরস্বতী পুজোর দিনে ভারী সোয়েটারের বদলে হালকা শাল বা ফুলস্লিভই যথেষ্ট হতে পারে।
উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে, তবে পাহাড়ি এলাকায় শীতের দাপট এখনও জারি। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা বজায় থাকবে। সমতলের জেলাগুলিতেও দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় শীত একটু বেশি অনুভূত হবে।
সব মিলিয়ে, সরস্বতী পুজোয় শীত আর বসন্তের এই লুকোচুরি খেলাই বাঙালির উৎসবে যোগ করবে বাড়তি রোমাঞ্চ—বাসন্তী শাড়ির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগে রাখতে হতে পারে হালকা সোয়েটারও।







