ওয়েবডেস্ক- ভোটের (Assembly Election) আবহে ফের তীব্র হল রাজ্যপাল ও রাজ্য সংঘাত (Governor State Government Conflict) । নয়া রাজ্যপাল হয়েছেন তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) বিতর্কিত রাজ্যপাল আর এন রবি (RN Rabi) । আর এই রাজ্যপাল নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধরনা মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে রাজ্যপালকে পদত্যাগ করানো হয়েছে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে (CV Ananda Bose) ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হয়েছে।কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন মুখ্যমন্ত্রী।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) জোর করে একই ভাবে পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। নজর বন্দি করে রাখা হয়েছিল ধনখড়কে। যারা বিজেপির পাল্লায় পড়বে তাদের পরিণতি এমনই হবে। যারা বাড়াবাড়ি করবে দিল্লির সরকার ফেলে দেওয়া হবে। ধরনা মঞ্চ থেকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি মমতার।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজভবন বিজেপি দলীয় অফিস হবে। টাকা বিলোবে। নতুন রাজ্যপাল বিজেপি প্যারেড ক্যাডার। জেনে রাখুন বাংলা অন্য। তামিলনাড়ুতে যা করেছে, স্টালিনকে অনেক জবাব দিতে হয়েছে। ধনখড়কে নিয়ে গেল ভোটের পরে। তারপর উপরাষ্ট্রপতি। তার পর কী হল? মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, অজিত পাওয়ারের দুর্ঘটনার সময়ে কী বলেছিলাম। আনন্দবাবুকে সরানো হল কেন, সব জানি। থ্রেট করা হয়েছে। সবাই চায় না রাজভবন দলীয় অফিস হোক’।
আরও পড়ুন- ‘ইচ্ছে করে গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে কেন্দ্র’
রাজ্যপাল আর এন রবি মূলক রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিতর্কিত এক চরিত্র বলা যেতে পারে। তামিলনাড়ুতে ২০২১ সালে রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। এদিকে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন, এই স্টালিন সরকারের সঙ্গে সংঘাত চরমে পৌঁছায়। তিন বছর ধরে রাজ্যপালের দফতরে ১২টি বিল তিনি আটকে রেখেছিলেন। স্টালিন সরকারে অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই বিলগুলিকে আটকে রেখেছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও একাধিকবার রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার আবেদন জানায় স্টালিন সরকার। ২০২৩ সালে রাজ্যপালের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে। সংঘাত্র আইনি যুদ্ধে রূপ নেয়।







