ওয়েব ডেস্ক: প্রথমে দীপু চন্দ্র দাশ, পরে অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট! বিগত কয়েকদিনে বাংলাদেশে (Bangladesh) আক্রান্ত হয়েছেন একের পর এক হিন্দু (Hindu Lynching)। সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর ধারাবাহিক হামলা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত (India)। শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal) একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে, প্রতিবেশি দেশের এইসব ঘটনার দিকে নজর রাখছে ভারত এবং এগুলি কোনওভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।
এদিন জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে উগ্রপন্থীদের লাগাতার হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং আশা করি দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তি দেওয়া হবে” তিনি আরও বলেন, “তথ্যানুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ২,৯০০-র বেশি ঘটনা ঘটেছে—যার মধ্যে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলও রয়েছে।”
আরও পড়ুন: “আই হ্যাভ আ প্ল্যান,” তারেকের হুঙ্কারে চাপে পড়বে ইউনুস সরকার?
বুধবার বাংলাদেশের রাজবাড়ির পাংশা উপজেলায় অমৃত মণ্ডলকে ওরফে সম্রাটকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা পিটিয়ে হত্যা করে বলে জানা যায়। অভিযোগ ছিল, তিনি নাকি একটি চাঁদাবাজ চক্রের মাথা ছিলেন এবং সেদিনও এক বাড়ি থেকে জোর করে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। তারপরেই ঘটে পিটিয়ে খুনের ঘটনা। এর কয়েকদিন আগেই গণপিটুনিতে ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাশ নামে এক হিন্দু যুবকের মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, অবৈধ কর্মকাণ্ড বা গণপিটুনিকে কোনওভাবেই সমর্থন করা হবে না। পাশাপাশি রাজবাড়ির ঘটনাকে সরকার ‘সাংঘাতিক অপরাধমূলক পরিস্থিতি’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এটি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপ্রসূত নয়।
দেখুন আরও খবর:







