ওয়েব ডেস্ক: লোকসভায় বাজেট (Union Budget 2026-27) পেশ শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাংলা, অসম, তামিলনাডু, কেরল, পুদুচেরিতে চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। বাংলা, অসম, তামিলনাডু, কেরল, পুদুচেরিতে চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ভোটমুখী চার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির দিকে এবারের বাজেটে নজর থাকবে। শুরুতেই নির্মলা সীতারামন জানালেন, সরকারের লক্ষ্য হল, দেশের দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই সরকার জনতুষ্টিবাদের পরিবর্তে জনগণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, বক্তৃতার বদলে বাস্তব সংস্কারকে বেছে নিয়েছে। দ্বিধার জায়গায় দৃঢ় ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারতের অগ্রগতির পথ চিহ্নিত হচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রিত মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে।
নির্মলা জানালেন, “এই বাজেট তৈরির সময় তিনটে কর্তব্যকে মাথায় রাখা হয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত ও দীর্ঘস্থায়ী করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা করা। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ”। নির্মলা বলেন, “এই বাজেট সবকা সাথ সবকা বিকাশের পথে কাজ করে যাবে। সংস্কার এক্সপ্রেস আর্থিক উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”২০২৬-’২৭ আর্থিক বছরের বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ৪.৪ শতাংশ, লোকসভায় জানালেন নির্মলা সীতারমণ। নির্মলার বক্তব্য, পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর দেওয়া হয়েছে।নির্মলা বলেন, এই বাজেটের লক্ষ্য হল, দেশের গরিব, শোষিত, বঞ্চিত মানুষের জন্য। আমাদের প্রথম কর্তব্য হল- বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশকে বিকশিত ভারত গড়ে তোলা।
আরও পড়ুন: মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারমণ
২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করে তিনি আরও বলেন, আমরা এখন অনেক কম আমদানি নির্ভর। কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে। আমাদের সংকল্প গরিব ভারতীয়দের প্রতি দায়বদ্ধতা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে দেশে শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উন্নয়নের গতি বহুগুণ বাড়াতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। সঞ্চয়কে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে রূপান্তর করার জন্য একটি শক্তিশালী আর্থিক খাত গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি গঠনমূলক সংস্কারের গতি বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে জানালেন সীতারামন। সংসদে বাজেট ভাষণে তিনি বলেন, “আমাদের সরকার কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে সামগ্রিক সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”
বর্তমানে ভারত বিকাশ, সংস্কার ও স্থিতিশীলতার পথে। রবিবার সংসদে বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই একথা বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, দেশের উৎপাদন খাত শক্তিশালী হয়েছে। জ্বালানির খাতে সিকিউরিটি জোরদার করা হয়েছে। সরকার জনপ্রিয়তার তুলনায় সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের তিনস্তরীয় কৌশল সফল করতে হলে একটি সহায়ক ও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই বাজেটের তৃতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই সরকারের প্রধান কর্তব্য। অস্থির ও অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনীতিকে আরও শক্তপোক্ত ও সহনশীল করে তোলার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।বলেন, ভারতকে বিশ্বমানের বায়ো-ফার্মা উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বায়ো ফার্মা শক্তি’ কর্মসূচির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।







