নয়াদিল্লি: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Speaker Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব (India Alliance No Confidence Motion) আনার সিদ্ধান্ত বিরোধীদের।বাজেট অধিবেশনেই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রস্ততি নিচ্ছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, বিতর্ক এড়াতে ক্ষমতাসীন সরকার আলোচনার অনুমতি দিতে রাজি নয়। কথা বলতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। প্রস্তাব আনার তোড়জোড় শুরু করেছে কংগ্রেস। রাহুলকে লোকসভায় বলতে না দেওয়ার প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ।
বাজেট অধিবেশনে উত্তপ্ত হয়েছে সংসদ।বিরোধী পক্ষ এবং সরকার পক্ষ একে অপরকে আক্রমণের জেরে অশান্ত হয়ে ওঠে সংসদভবন। লোকসভায় উত্তাল হওয়ার জন্য রাহুল গান্ধী বলতে পারেননি। এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ছাড়াই ধন্যবাদ প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। আর এমন পরিস্থিতিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াল বিরোধীরা। স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। সব বিরোধী দলই স্পিকার ওম বিড়লার উপর অনাস্থার আনার বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। এই মর্মে লোকসভার সেক্রেটরি জেনারেলের কাছে নোটিশও দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। সোমবার সকালে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের (Mallikarjun Kharge) বাসভবনে বৈঠকে বসেন বিরোধী জোটের সাংসদ ও নেতারা। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার উপ-দলনেতা সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi)। সংসদে কী রণকৌশল হবে বিরোধী সাংসদদের, তা নির্ধারিত হল বৈঠকে।
আরও পড়ুন:ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, কুকি ও নাগা জনজাতি সংঘর্ষে উত্তপ্ত উখরুল
বিরোধীদের তরফে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে সংসদে বলতে না দেওয়া।কংগ্রেসের মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে অন্যায় অভিযোগ আনা হচ্ছে। অনৈতিক ভাবে ৮ সাংসদকে পুরো অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করেছে।স্পিকার ওম বিড়লা রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ প্রস্তাবে উপর বলতে দেন।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল পেশ করেন ধন্যবাদ প্রস্তাব। এটিকে সমর্থন করেন বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য। তিনি কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন।বিপক্ষের পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধীর প্রথমে বক্তব্য রাখার কথা ছিল।এই সময় রাহুল গান্ধীর সময় এলে তিনি ডোকালাম এবং চিন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই শুরু হয়ে যায় হাঙ্গামা। স্পিকার বারবার তাঁকে বলার সময় আটকে দেন। তারা লোকসভার বিপক্ষ দলনেতার সঙ্গে এই আচরণের তীব্র বিরোধীতা করে বিরোধীরা। আর এই ঘটনার জন্যই লোকসভা স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চাইছেন বিরোধীরা।







