ওয়েব ডেস্ক: স্পিকার ওম বিড়লার (Lok Sabha Speaker Om Birla) বিরুদ্ধে শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা চায় কংগ্রেস, তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার অভিষেক জানান, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করতে তৃণমূলের কোনও আপত্তি বা অসুবিধা নেই। তবে তার আগে চিঠি দিয়ে স্পিকারের অবস্থান বুঝতে চায় তৃণমূল। অভিষেক জানান, স্পিকার বিরোধী নেতাদের নিয়ে এ দিন যে মিটিং ডেকেছেন, সেখানে উপস্থিত থাকবেন তিনি।
স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে শাসকদলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। মূলত চারটি কারণকে সামনে রেখে এই প্রস্তাব আনতে চায় তারা। সে সম্পর্কে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার দলনেতা হিসাবে অভিষেক মঙ্গলবার জানালেন, কংগ্রেস যে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চায় তাতে তৃণমূলের সাংসদদের সই করতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তার আগে বিজেপি-বিরোধী মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’-ভুক্ত দলগুলির যৌথ বিবৃতি দিক। জানিয়ে দিয়েছেন, সে প্রক্রিয়া মানলে তবেই তৃণমূল তাতে সই করবে।‘ইন্ডিয়া’র দলগুলো সই করে একটা চিঠি লোকসভার স্পিকারকে দিক। যে চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলিই লিখিত ভাবে জানানো হোক স্পিকারকে।তিনি তিন দিনের মধ্যে সদুত্তর না-দিলে, তার পর শুক্রবার অনাস্থা প্রস্তাব আনা হোক।
অভিষেকের কথায়, ‘‘কংগ্রেসের ৮ জন সাংসদকে স্পিকার সাসপেন্ড করেছেন। চিঠি দিয়ে বলা হোক তা প্রত্যাহার করতে। তিন দিন সময় দেওয়া হোক। না-করলে তখন আনা হোক অনাস্থা প্রস্তাব।’’ অভিষেকের আরও সংযোজন, ‘‘এটাই তো নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের পার্থক্য। ভুল করলে তাঁকে সুযোগ তো দিতে হবে।’’অভিষেক স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যদি চিঠি দিয়ে, তিন সময় দিয়ে কংগ্রেস অনাস্থা প্রস্তাব আনে, তৃণমূল তাতে সই করবে। কিন্তু যদি মঙ্গলবারই তড়িঘড়ি কংগ্রেস এই প্রস্তাব আনতে চায়, তা হলে তাতে তৃণমূল সই করবে না।একই সঙ্গে অভিষেকের দাবি, কেন্দ্রের সরকারই অধিবেশন চালাতে চায় না। সে কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে অধিবেশন মুলতুবি করে রেখে দেওয়া হচ্ছে। অভিষেকের প্রশ্ন, ‘আমরা চাই পার্লামেন্ট চলুক, কিন্তু সরকার চায় না। আজও মুলতুবি করে দিয়েছে। একবারও স্পিকার আসেননি, চেয়ারে বসেননি। সরকার যদি হাউস চালানোর মানসিকতা থাকে, এতক্ষণ মুলতুবি করবেন কেন? হাউস চালানোর দায়িত্ব তো সরকারের।







