Wednesday, February 18, 2026
HomeScrollAajke | রাজ্যসভায় ৫ আসনে তৃণমূলের কারা? বিজেপির কে যাচ্ছেন?
Aajke

Aajke | রাজ্যসভায় ৫ আসনে তৃণমূলের কারা? বিজেপির কে যাচ্ছেন?

তৃণমূল ৫টা আসনে প্রার্থী দিলেও, বিজেপি একটা আসনেই প্রার্থী দেবে

Written By
অনিকেত চট্টোপাধ্যায়

রাজনীতির সম্ভাবনা আর সম্ভাবনার রাজনীতি, হ্যাঁ, এর মধ্যে ঘুরপাক খেতেই হয় সাংবাদিকদের। প্রতীক উর রহমান কি তৃণমূলে আসবেন? না প্রতীক আমাকে বলেছেন, না অন্য কাউকে। কিন্তু তাকিয়ে দেখুন, এই সম্ভাবনা নিয়ে খবরের কাগজ, মিডিয়া সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম। অন্তত দুজন তো হেঁকে বলে দিয়েছেন যে, তিনি তৃণমূলে যাচ্ছেন। তাহলে আমি কি সম্ভাবনার কথা বলব না? আমার দর্শকরাও তো জানতে চাইবেন। আমি বলব, হ্যাঁ, আমি বলছি না প্রতীক তৃণমূলে যাবেন না, দলের নেতৃত্ব তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে, আর যেহেতু এটা কোনও এক গোষ্ঠীর সম্মিলিত পদত্যাগ নয়, তাই তিনি দলেই থেকে যাবেন। এরকম আরেক সম্ভাবনার খবরে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল, সেখানে আবার রাজনীতির সম্ভাবনা আর সম্ভাবনার রাজনীতি- দুই জড়িয়ে আছে। প্রতিবারই থাকে, বাজার সরগরম হয় রাজ্যসভা নমিনেশনের আগে, কে পাবেন পদ? কারণ নিশ্চিত চারটি সাংসদ পদ বিতরণ করা হবে, তা কে কে পাবেন, সেই সম্ভাবনা নিয়ে যেমন কথা হবে, তেমনিই দেওয়ার পরে সেই রাজনীতির সম্ভাবনা নিয়েও কিছু কথা তো হবেই। ছ’বছরের সাংসদ, রাজনীতির ‘হেল্ম অফ অ্যাফেয়ার্স’-এ থাকা, আবার দলের সব দায় বহন করা। তৃণমূলের জন্মলগ্নে যিনি ছিলেন দেশের একজন অত্যন্ত দক্ষ পরিচিত আমলা, সেই জহর সরকার নাকি জানতেনই না তৃণমূলের রকম-সকম, দল কী ভাবে চলে, দলে কারা আছেন, দলের কর্মপদ্ধতি, দলের মধ্যে দুর্নীতির এক পাকাপোক্ত পরিকাঠামো। না, এসব নাকি কিছুই জানতেন না, তাই তাঁকে জানানোর পরে তিনি এমপি হয়ে গেলেন, কেবল জানলার শার্সি দিয়ে দফা এক দাবি এক শুনেই যাত্রাপালার বিবেক জেগে উঠল, আর অমনি তিনি পদত্যাগ করে এখনও অবধি সেই আধা বিবেকের রোলে নিজেকে ফিট করানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। এমনটা একবার পড়েছি, আর একবার দেখেছি। সেই সব্যসাচীর পকেটে গাঁজার কলকে, সে নাকি অন্য কোনও গাঁজা পিপাসুর উপকারে লাগবে বলে পকেটে রাখা। হ্যাঁ, তেমনটাই বলেছিল সেই সন্দেহভাজন বিপ্লবী। আর অন্যটা আমার দেখা, এক থানায় বসে এক কিশোর হাউ হাউ করে কাঁদছে, বলছে, “আমায় মারুন স্যর, যদি অ্যারেস্ট করতে হলে করুন স্যর, খালি ওই পাড়া থেকে অ্যারেস্ট করেছেন সেটা লিখবেন না”। হ্যাঁ, কার যে বিবেক কখন জাগ্রত হয়, সে তো ফ্রয়েডও বলে গিয়েছেন বলে শুনিনি। সেই রাজ্যসভা নিয়েই বিষয় আজকে, রাজ্যসভায় ৫ আসনে তৃণমূলের কারা? বিজেপির কে যাচ্ছেন?

এবারে কোনও হিসেবের গোলমাল নেই, ভোট এদিকের ওদিকে যাবে- তেমন কোনও সুযোগই নেই, তৃণমূল ৫ জনকে পাঠালেও জয়ী হবেন চার জন, বিজেপি ৫ জনকে মাঠে নামালেও একজনই জিতবে। কাজেই আমার ধারণা সম্ভবত বিজেপি বিরোধিতাকে মাথায় রেখে তৃণমূল ৫টা আসনে প্রার্থী দিলেও, বিজেপি একটা আসনেই প্রার্থী দেবে, আর সেই আসনে একজন অভিনেতা আর একজন সাংবাদিকের নাম আছে। দেখা যাক কার শিকে ছেড়ে, নাকি নেপোয় দই নিয়ে যায় সেটাও দেখার। কিন্তু সামনে বাংলার ইলেকশন, অভিনেতাবাবুকে পুরোদস্তুর ব্যবহার করতে হলে হয় মুখ্যমন্ত্রী মুখ বানাতে হবে নাহলে অ্যাট লিস্ট রাজ্যসভা, হ্যাঁ, এটাই নাকি সমঝোতা সূত্র। তাহলে কি দিল্লির সাংবাদিকবাবুর এবারেও কিছু জুটবে না? শোনা যাচ্ছে একটা ‘সেফ সিট’? কিন্তু সেই ‘সেফ সিট’টা এখনও খোঁজা চলছে, কারণ শহর কলকাতায় যেখানে তাঁকে কিছু মানুষ চেনেন সেখানে কোনটা ‘সেফ সিট’, তা নিয়ে বেশ বিতর্ক আছে।

আরও পড়ুন: Aajke | ব্রিগেডে আসবেন মোদিজি, এসে জানান আহমেদাবাদে সোনামণি বৈরাগ্যকে খুন করল কারা?

এবারে আসুন তৃণমূলের কথায়, যেখানে চার চারখানা আসন আছে। একটু খেয়াল করেছেন, ভোটের এখনও দেড়-দু’মাস বাকি, এমনকি ন্যশন্যাল মিডিয়াতেও মমতা ব্যানার্জী সম্পর্কে সুভাষিত লিখছেন বিরাট মাপের সাংবাদিকেরা। নাম? ধরুন বীর সাংভী, উনি তো আইপ্যাকের কথায় একটা গোটা প্রোগ্রাম করে দেবেন না, ওনার যথেষ্ট ক্রেডিবিলিটি আছে, ‘দ্য প্রিন্ট’-এ অনুষ্ঠানটা শুনুন। শীর্ষক হল, ‘Why Indian liberals continue to respect Mamata Banerjee?’ শুনুন দু’মুখে প্রশংসা কাকে বলে। মনমোহন সিংয়ের পরামর্শদাতা, ল্যুটেনস দিল্লির এক মাথা সঞ্জয় বারু বলেছেন, এবারে একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রীর পালা, তিনি হলেন মমতা ব্যানার্জী। হ্যাঁ, কেবল এখানেই নয়, বিভিন্ন রিল আসছে, যেখানে বাংলার ইকনমিক গ্রোথের কথা বলছেন বিশ্বাসযোগ্য মানুষজন। তার মানে সংবাদপত্র জগতের একজনের যাকে বলে ‘কনসার্টেড এফোর্ট’-এ এগুলো হচ্ছে। আর এই মুহূর্তে শ্যামকে সামনে রেখে রাধার কাহিনী বলার গল্পটাও বেশ লেগেছে, সব মিলিয়ে একজন সংবাদপত্র জগতের কেউ যাচ্ছেন দিল্লিতে রাজ্যসভায়। ঋতব্রত রাজ্যসভাতেই যাবেন? নাকি তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হবে? সম্ভবত দিল্লিতেই রাখা হবে। অবশ্যই বাকি দুটোতে দিদিমণির চমক থাকবে, তার মধ্যে একজন টলিউড থেকে গেলে অবাক হবো না। বাকি থাকবে একজন আরও, আপনারা মাথা ঘামান। ভারতের রাজনীতিতে বাংলায় মমতা আর দেশে নরেন্দ্র মোদির থেকে বেশি চমকে দেওয়া সিদ্ধান্ত আর কেউ নিয়েছেন বলে জানা নেই, এবারেও চমক থাকবে। কিন্তু একটা কথা তো মানতেই হবে, বাম জামানার ৩৪ বছরে আমরা বাংলার কি লোকসভা কি রাজ্যসভার সাংসদদের এরকম পার্টিসিপেশন দেখিনি। এরকম আরএসপি বা ফব এমনকি সিপিএম সদস্যের নাম করা যায়, যাঁরা ৫ বছরে রা কাড়েননি। কিন্তু এ জামানাতে নিয়ম করে জিরো আওয়ারে সক্রিয় তৃণমূল সাংসদেরা, কেবল তুলছেনই না, তা নিয়ে খবরও হচ্ছে। আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, এই মুহূর্তে বাংলার বিজেপি বা তৃণমূল লোকসভা বা রাজ্যসভা সদস্যদের মধ্যে কারা কতটা অ্যাকটিভ বলে আপনাদের মনে হয়? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

বলছিলাম না, তৃণমূল সদস্যরা এই মুহূর্তে সংসদে সবচেয়ে অ্যাকটিভ দল। কতটা তা বোঝানোর জন্য কেবল একটা উদাহরণ দিই। কিছুদিন আগে সায়নী ঘোষ আর জুন মালিয়া সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সেই ইনটার্নশিপ প্রকল্প নিয়ে, যেখানে এক কোটির চাকরি হওয়ার কথা ছিল। ওনাদের প্রশ্নের জবাবে লিখিতভাবেই জানাও হয়েছিল যে, মাত্র ৯৫ জনের চাকরি হয়েছে। এর কিছুদিন পরে গণশক্তিতে খবরটা করা হয়, কিন্তু কে প্রশ্ন করেছে সেটা ওখানে বলা হয়নি। সমস্যা হল, এতদিন যাঁরা শুন্য বলতেন, তাঁরা খেয়াল করেননি, বাংলা থেকে একজন তো অন্তত ছিলেন রাজ্যসভায়, বিকাশ ভট্টাচার্য। এখন তিনিও নেই, কাজেই গণশক্তিকে এখন বিজেপি বিরোধী আলোচনার খবর ছাপতে হলে তৃণমূলের সাংসদদের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot idn poker 88