ওয়েবডেস্ক- ভোটের (Assembly Election 2026) আগে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । তিন মাইক্রো অবজারভারকে সাসপেন্ড (Micro observer suspended) করা হয়েছে। এবার প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করল কমিশন। তিন মাইক্রো অবজারভার নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। সে কারণেই অভিযোগ পেয়ে তাঁদের সাসপেন্ড করেছে সিইও দফতর। উত্তর ২৪ পরগনা তিন মাইক্রো অবজার্ভার। দুজন ব্যাংক ম্যানেজার একজন ইনকাম ট্যাক্স অফিসার।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের এক্স হ্যান্ডেল থেকে জানানো হয়, কমিশনের নিযুক্ত জেলা পর্যায়ের রিপোর্ট অনুসারে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের নিজ নিজ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব অন্য কারুর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায় না।
আরও পড়ুন- ভোটের আবহে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংযত আচরণবিধির পরামর্শ, সুপ্রিম কোর্টের
রাজ্যের এসআইআর আবহে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ইআরও আধিকারিকদের সাসপেন্ডের নির্দেশ দেয়। কমিশনের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি, অসদাচারণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এসেছে। এর আগেও আরও চার আধিকারিককে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই এফআইআর দায়ের না হওয়ায় দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের জন্য রাজ্যকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশিকাই ছিল ঠিক মতো কাজ না করলে মাইক্রো অবজারভারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারবে ।
উল্লেখ্য, ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এ ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিটি মাইক্রো অবজারভাররা নজরদারি চালাবেন বলে ঠিক হয়। কমিশনের নির্দেশে বিএলও দের ডিজিটাইজ করা এনিউমারেশন ফর্মের যাবতীয় মাইক্রো অবজারভাররা যাচাই করবেন শুনানির হাজিরা থেকে। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়, সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত চায়।







