ওয়েবডেস্ক- প্রণয়ের সম্পর্কের হাড়হিম করা পরিণতি! ডেটিং অ্যাপ থেকে (Dating APP) পরিচয়, কয়েকদিনের আলাপেই দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। একসঙ্গেই লিভ ইন সম্পর্কে (Live In Relationship) থাকতে শুরু করেছিলেন ওই দুই যুবক যুবতী। কিন্তু সেই ভালোবাসা পরিণত হল তিক্ততায়। ভয়াবহ কাণ্ড ঘটে গেল। প্রেমিকাকে নৃশংসভাবে খুনের চেষ্টা। ঘটনার বিবরণ শুনলে গা শিউরে উঠতে হয়। প্রেমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ত্রিপুরা থেকে গুরুগ্রামে (Gurugram) পড়াশোনার জন্য আসেন ১৯-এর এক তরুণী। সেক্টর এ তে বাড়ি ভাড়া করে থাকছিলেন। ২০২৫ সালে একটি ডেটিং অ্যাপ থেকে শিবমের (Shivam) সঙ্গে পরিচয়, সেই সূত্রে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। সেই সময় শিবম নরেলায় তার নিজের দিদির কাছে থাকছিলেন, কাজের খোঁজ করছিলেন। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকায় তারা লিভ ইন থাকতে শুরু করেন। তরুণীর দাবি, তাদের বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই শিবমের আচরণে পরিবর্তন হতে শুরু করে। অভিযোগ, অকারণে তাকে সন্দেহ করতেন শিবম, তাকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হত।
আরও পড়ুন- হাড়হিম করা ঘটনা! মধ্যপ্রদেশে মেধাবী যুবকের কাণ্ডে হতবাক পুলিশ
এই অত্যাচারের সীমা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। শিবম হুমকি দিত, তাকে এমনভাবে মারধর করবে যাতে সে কোনওদিন্ মা না হতে পারে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অত্যাচারের সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। সেই রাতেও ওই তরুণীকে মারধর করা হয়, স্টিলের বোতল দিয়ে বারবার মাথায় আঘাত করা হয়। গোপনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা। কোনও রকমে নিজেকে বাঁচিয়ে মাকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি।
ওই তরুণী তার মাকে বলেন, আমাকে জীবিত দেখতে হলে তাড়াতাড়ি চলে এসো। এই সমস্ত কথাবার্তার কিছুই টের পাননি শিবম। তরুণীর মা দ্রুত হেল্পলাইন নাম্বার ১১২ –এ ফোন করে অভিযোগ জানান। গুরুগ্রাম পুলিশের একটি দল ওই যুগলের বাড়িতে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।







