ওয়েব ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। তার জন্য রাজ্যের ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি (BJP)। কিন্তু তার মাঝেই তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, যারা এই যাত্রায় অংশগ্রহণ করবে, তাদের যুব সাথী এবং লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হবে বলে নোংরা চক্রান্ত করছে তৃণমূল!
বিজেপি নেতা একটি সমাজমাধ্যমে একটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি স্ক্রিন শট শেয়ার করেছেন, যেখানে গ্রুপের নাম লেখা ২৬৭ নং বুথ তৃণমূল (TMC)। সেখানে লেখা রয়েছে, “এটা দ্বারা ২৬৭ নং বুথের সমস্ত তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের জানানো যাচ্ছে আগামী কাল রবিবার মথুরাপুর থেকে সম্পাদনীয় দাসপাড়া বিজেসির একটি সভায় যাওয়া শুরু হবে আর এই সভায় যদি আমাদের বুথের যদি বিজেপির কোন পুরুষ বা মহিলা সদস্য যায় তাহলে তাদের যুব সাথী ও লক্ষী ভান্ডার বাতিল করে দেওয়া হবে।সেইজন্য বুথের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের জানানো যাচ্ছে আগামী কাল সকাল থেকে কেউই যেন ঘর থেকে বের না যায় আর যারা যায় তার নাম অবশ্যই উপস্থিত জানানো জন্য বিশেষ ভাবে জানানো যাচ্ছে।”
আরও খবর : চলতি সপ্তাহেই দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে গরম! কী বলছে আবহাওয়া দফতর?
এরই প্রতিবাদ জানিয়ে বিজেপি (BJP) নেতা সুকাতন্ত মজুমদার সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “সমাজবিরোধী দুর্বৃত্ত তৃণমূল কংগ্রেস কতটা নীচ এবং ন্যক্কারজনক প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা পোষণ করে, তা স্পষ্ট হয়ে যায় তাদের দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মেসেজ দেখলেই!” সঙ্গে লিখেছেন, মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় আজ ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং সমবায় মন্ত্রী আদরণীয় শ্রী অমিত শাহ জির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ সভায় ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় যে সকল কার্যকর্তারা এবং সমর্থকরা যাবেন, তাঁদের সকলের যুব সাথী এবং লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হবে বলে নোংরা চক্রান্ত করছে তৃণমূল!”
সঙ্গে লিখেছেন, “শুধু তাই নয় ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের চিহ্নিত করে রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের স্থানীয় বুথ নেতৃত্বকে। তৃণমূলের এই জঘন্য প্রতিহিংসামূলক মানসিকতা প্রমাণ করে দেয়, গ্রামেগঞ্জে কী ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চাকে রুদ্ধ করতে এ ধরনের হুমকি ও বঞ্চনার রাজনীতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বঞ্চনা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এই সমস্ত প্রমাণ স্মরণে রাখা হবে। বাংলার প্রান্তিক খেটে খাওয়া মানুষের উপর এই ন্যক্কারজনক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উপযুক্ত জবাব হবে।” আর এ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :







