ওয়েব ডেস্ক : রবিবার আইপিএলের মেগা ফাইনাল (IPL Final)। রবিবার নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) ও গুজরাত টাইট্যান্স (Gujrat Titans)। তবে প্রথমে ব্যাটিং করে ব্যাপ চাপে পড়ে গেলেন শুভমন গিলরা। আরসিবির বোলিংয়ের কাছে তাসের ঘরের মতো ভেঙে গেল গুজরাতের ব্যাটং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোর বোর্ডে মাত্র ১৫৫ রান তুলতে পারলেন সাই সুদর্শনরা।
ফাইনাসে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রজত পাতিদার। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে আরসিবির (RCB) বোলিংয়ের কাছে প্রথম থেকেই চাপে পড়েছিলেন শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনরা। ওপেনার এই জুটি মাত্র ২২ রানের পার্টনারশিপ করতে পারেন। আর মাত্র ১০ রান করে জশ হেজেলউডের বলে আউট হয়ে প্যাবিলিয়নে ফেরেন গুজরাতের অধিনায়ক। তিনি যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ক্যাচ আউট হন সুদর্শনও। করেন মাত্র ১২ রান। ফলে ফাইনালে ওপেনার জুটি পুরোরপুরি ফ্লপ হয়ে যান।
আরও খবর : আইপিএলের একাধিক নিয়মে বিরক্ত শচীন! ক্রিকেটে ভারসাম্য ফেরাতে দিলেন ৩ সমাধান
এর পর ম্যাচ ধরার চেষ্টা করেছিলেন নিশান্ত সিন্ধু ও জশ বাটলার। কিন্তু তাঁরা স্কোর বোর্ডে মাত্র ২০ ও ১৯ রান যোগ করতে পারেন। রাশিখ সালাম দারের বলে নিশান্ত ও ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার বলে আউট হন বাটলার। এর পরে নেমে ম্যাচের হাল ধরেন ওয়াশিংটন সুন্দর। টুক টুক করে স্কোর বোর্ডে রান জুড়তে থাকেন তিনি। কিন্তু অপর দিক থেকে উইকেট পড়তে থাকে। রাশিখের বলে ১৫ রান করে আউট হন রাশিদ খান। এর পরেই ৭ রানে রাহুল তেওয়াতিয়াকেও প্যাবিলিয়নের রাস্তা দেখান তিনি। তার পরেই ভুবনেশ্বরের বলে ৭ করে আউট হন জেশন হোল্ডারও। এর কিছুক্ষণ পরেই আবার রাশিখের বলে ৭ রান করে আউট হন রাশিদ খান।
তবে একা হাতে খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৭ বলে ৫০ রান করেন। রাবাডা যোগ করেন মাত্র ৩ রান। যার ফলে স্কোর বোর্ডে ১৫৫ রান তুলতে পারে গুজরাত। এদিন জেকব ডাফি বাদ দিয়ে আরসিবির সব বোলার দারুণ বোলিং করেছেন। এদিন তিনটি উইকেট নিয়েছেন রাশিখ সালাম দার। দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হেজেলউড। একটি উইকেট নিয়েছেন ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। তবে এখন দেখার বিষয় এই রান গুজরাত ডিফেন্ড করতে পারে কি না? অন্যদিকে আরসিবি (RCB) ফাইনাল জিতে পরপর দু’বার জয়ের স্বাদ পায় কি না? সেটাও বোঝা যাবে ম্যাচ শেষে
দেখুন অন্য খবর :







