ওয়েব ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran-Israel War) গরম হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) বাতাস। তবে সেই উত্তেজনা কমেছে এখন। এই অবস্থায় তেল আভিভকে আবার চোখ রাঙাল ইরান। সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অস্ত্র কারখানা (Weapon Factories) গড়ে তুলেছে তেহরান। তবে আপাতত সেই কারখানাগুলির নাম প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে (Aziz Nasirzadeh)। তাঁর এই বিস্ফোরক ঘোষণার পরেই ফের পারদ চড়ছে পশ্চিম এশিয়ায়।
এক সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদে বলেন, “উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা ইরানের সেনাবাহিনীর কাছে এখন প্রধান লক্ষ্য। শীঘ্রই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ওই কারখানাগুলির নাম ঘোষণা করব।” তিনি দাবি করেন, “ইজরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে আমরা অত্যাধুনিক কাসেম বসির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করিনি। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা প্রয়োগ করা হত। ইজরায়েলের কোনও ক্ষমতাই নেই সেগুলি ধ্বংস করার।”
আরও পড়ুন: দুর্ভিক্ষে ধুঁকছে গাজা! খাবার, জল নিয়ে পাশে দাঁড়াল রুশ প্রদেশ
প্রসঙ্গত, গত ২১ অগাস্ট ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরের কাছে একাধিক ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালায় ইরান। ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের পর এটিই ছিল তাদের প্রথম বড় সামরিক মহড়া। এর আগে ১৩ জুন ইজরায়েল ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা আঘাত হানে তেহরানও। ইরানের পালটা হামলায় তেল আভিভ-সহ গোটা ইজরায়েল কেঁপে ওঠে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় ২২ জুন। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে আমেরিকা। মার্কিন বায়ুসেনা ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালায়। জবাবে ইরান মিসাইল ছুড়ে ইজরায়েলের পাশাপাশি সিরিয়া, কাতার ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালায়। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আকস্মিকভাবে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন। তবে ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য ফের সেই শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা।
দেখুন আরও খবর: