কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে (Anandapur Fire Breakout) ২৪ দিন পর বড় মোড়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ১৮ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনায় মোট ২৭ জনের নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। বাকি নিখোঁজদের শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া এখনও চলছে।
গত মাসে আনন্দপুর এলাকায় একটি ডেকোরেটরস গোডাউন এবং Wow! Momo-র সঙ্গে যুক্ত একটি ওয়্যারহাউসে ভয়াবহ আগুন লাগে। অভিযোগ, পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকা এবং গোডাউনের গেট বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিক ভিতরে আটকে পড়েন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন মোতায়েন করা হয়। কয়েকদিন ধরে চলে উদ্ধারকাজ। অধিকাংশ দেহ সম্পূর্ণ ঝলসে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, ফলে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।
আরও পড়ুন: সরছে ধর্মতলার বাস ডিপো
গাফিলতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি Wow! Momo সংস্থার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট, ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তী-সহ সংশ্লিষ্ট আরও এক কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অবহেলার কারণে মৃত্যু ও নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতে শনাক্ত হওয়া মৃতদের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। একই সঙ্গে গোডাউনের বৈধতা, ফায়ার লাইসেন্স এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর সকলের।







