ওয়েব ডেস্ক : মির্জা গালিব স্ট্রিটের (Mirza Ghalib Street fire) ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর পর শহরের হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পরই সতর্ক হয়েছে দমকল বিভাগ। এবার ওই এলাকার ৯টি গেস্ট হাউস এবং চারটি রেস্তরাঁ কাম পানশালাকে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
দমকল আইনের নির্দিষ্ট ধারায় পাঠানো নোটিসে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই জবাব দিতে হবে। দমকল সূত্রে খবর, উত্তর সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট হোটেল বা রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার মতো কড়া পদক্ষেপও করা হতে পারে।
আরও খবর : নিউ মার্কেটের হোটেলে আগুনে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু! মৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের সাংবাদিকও
‘শিখা ইন’-এর অগ্নিকাণ্ডের পর সামনে এসেছে আরও একাধিক গুরুতর অভিযোগ। জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় অতিথিদের বেরিয়ে আসার মতো কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি হোটেলের পিছনের জরুরি বেরোনোর পথও পাঁচিল তুলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ফলে আগুন ও ধোঁয়ার মধ্যে আটকে পড়েন বেশ কয়েকজন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডে মৃত আরও দু’জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। তাঁরা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রেবতী সরকার এবং এসএম আলিমুজ্জামান। বাংলাদেশ হাই কমিশনে থাকা নথি, হোটেলের তথ্য এবং পাসপোর্ট নম্বর মিলিয়ে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় মৃত ৯ জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে।







