কলকাতা: ২০ বছর পর মেট্রো চ্যানেলে ফের ধরনায় বসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এসআইআর-এর (SIR) নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগে শুক্রবার এই কর্মসূচি শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা, কল্যাণের পর সেই মঞ্চে বক্তব্য রাখেন কবীর সুমন (Kabir Suman), জয় গোস্বামী (Joy Goswami)। বর্ষীয়ান গায়ক যেমন কমিশন (Election Commission) ও বিজেপিকে একযোগে নিশানা করলেন, তেমনই এসআইআর-এর হিয়ারিংয়ে ডাক পাওয়া কবি জয় গোস্বামীও একই ইস্যুতে সরব হন।
হিয়ারিংয়ের কথা টেনে কবি জয় গোস্বামী বলেন, “আমার তখন তিনটে সার্জারি একসঙ্গে হয়েছে। সেই সময়ে আমার বাড়ি ফোন এল যে আমার ভোটাধিকারের অধিকার প্রমাণ দিতে হবে। সে সব কথা আমার স্ত্রী-কন্যা আমায় জানাননি। তাঁরা ব্যবস্থা করেছিলেন।” এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর অবদানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে আমি একজন আবেদনকারী। সেই আবেদন যে আমি করতে পারি, এই শরীর নিয়ে যদি করতে পারি, সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মমতা। এই এসআইআরের জন্য কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ লড়াই করতে পারেন মমতা।”
আরও পড়ুন: নির্লজ্জ বিজেপি পার্টি, দালাল কমিশন, ধরনা মঞ্চ থেকে বিস্ফোরক মমতা
এর পর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কথা স্মরণ করে জয় গোস্বামী বলেন, “নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ যখন গুলি চলে, সেই রাতে একজন গাড়ি নিয়ে চললেন নন্দীগ্রাম পৌঁছোবেন বলে। তাঁর সঙ্গী ছিলেন কবীর সুমন। তাঁদের তিন বার রাস্তায় বাধা দিয়েছে তৎকালীন সরকারের পুলিশ। তিন বার রাস্তা ‘ক্লিয়ার’ করে পৌনে ৪টের সময় হাসপাতালে পৌঁছন। তখন একটার পর একটা লোক মারা যাচ্ছেন। ভোর ৫টা তিনি নন্দীগ্রামে পৌঁছোন।”
দেখুন আরও খবর:







