কলকাতা: গতবছর এপ্রিলে তিনি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ঘরণী হয়েছেন রিঙ্কু মজুমদার(Rinku Majumdar)। ২০১৩ সাল থেকে বিজেপির সক্রিয় কর্মী রিঙ্কু মজুমদার। বর্তমানে তিনি রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী। বিধানসভা ভোটে (West bengal Assembly Election 2026) বিজেপির প্রার্থী হতে চেয়ে বায়োডেটা জমা দিয়েছেন রিঙ্কু।আর তারপর থেকেই তোলপাড় পরে গিয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। স্ত্রী-র প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছেতে কী বললেন স্বামী দিলীপ ঘোষ? কেন এই সিদ্ধন্ত নিলেন তিনি। সব জানালেন দিলীপ-পত্নী।
২০২৬ এর বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা হতে এখনও বেশ কয়েকদিন বাকি। বৃহস্পতিবার সেই উত্তাপই আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়ে ইতিমধ্যেই বায়োডাটা জমা দিয়েছেন রিঙ্কু মজুমদার। আর তাই নিয়েই তোলপাড় পড়েছে বিজেপির ভিতরে ও বাইরে। জানা গিয়েছে, বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী হতে চান দিলীপ-পত্নী। সূত্রের খবর, বীজপুর বা রাজারহাট-নিউটাউন বা মেদিনীপুরে প্রার্থী হতে চেয়ে আবেদন জানিয়ে ড্রপবক্সে বায়োডাটা দিয়েছেন রিঙ্কু।এই প্রসঙ্গে দিলীপ পত্নী জানান, “প্রার্থী হতে চাই, উচ্চ নেতৃত্ব ভাববেন কী করবেন।” তাঁর দাবি, ২০১৩ সাল থেকেই তিনি নিউটাউনের বাসিন্দা এবং দলের একনিষ্ঠ কর্মী। পারিবারিক বিপর্যয় সামলেও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন।তাঁর কথায়, “আমি মিসেস ঘোষ হয়েছি মাত্র কয়েক মাস আগে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে দলের হয়ে কাজ করছি। আমার একটা রাজনৈতিক সত্ত্বা আছে। লড়াই করতে চাই এবং জিততেও চাই।
আরও পড়ুন:বেলডাঙা কাণ্ডে নথি দিচ্ছে না রাজ্য? অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে নালিশ এনআইএ-র
শুক্রবার দিলীপ-পত্নী রিঙ্কু মজুমদার বলেন, “অনেকদিনের ইচ্ছে ক্যাবিনেট মিনিস্টার হওয়ার। ড্রপবক্স-এ আবেদন করেছি।ইচ্ছে হলেই প্রার্থী হওয়া যায় না। নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয় তারপর দিল্লি থেকে সই হয়ে এলে নামটা থাকলেই প্রার্থী হওয়া যায়।”রিঙ্কুর বায়োডেটা জমা দেওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ বলছেন, ‘ফিডব্যাক নেওয়ার কোন প্রশ্নই নেই। যত নাম এসেছে সেগুলো তালিকা তৈরি হচ্ছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। যাকে যোগ্য মনে করবে দল, প্রার্থী তাকেই করা হবে। যতদূর খবর পেয়েছি প্রায় সাড়ে তিন হাজার নাম ড্রপবক্সে পড়েছে; তার বেশিও হতে পারে। আমার স্ত্রী দলের পুরনো কর্মী। অনেকে যেমন নাম দিয়েছেন উনিও নিজের ইচ্ছা জাহির করেছেন, ভোটে লড়ব। পার্টি যোগ্য মনে করলে তাঁকে টিকিট দেবে।’ দিনীপের কথায়, “দলে ও আমার থেকেও পুরনো। আমি এমএলএ, এমপি হয়ে গেলাম। ওঁর ইচ্ছা হয়েছে তাই আবেদন করেছে।







