ওয়েব ডেস্ক: আইপ্যাক (ED Raids I-Pac ) দফতর ও প্রতীকের বাড়িতে তল্লাশির সময় কী ভাবে ইডির কাজে ‘বাধা’।ইডির কাছে জানতে চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Amit Shah Home Ministry Report)। ইডি সূত্রে খবর, এই বিষয়ে ‘যত দ্রুত সম্ভব’ সবিস্তার রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের আওতাধীন হলেও গতকাল তল্লাশি চলাকালীন দু-দুটি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ কর্তা ও পুলিশ কর্মীরা। আই-প্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
ইডি সূত্রে খবর, তদন্তকারীদের কাজে কী ভাবে ‘বাধা’ দেওয়া হয়েছিল, রাজ্য পুলিশের অতিসক্রিয়তা দেখা গিয়েছিল কি না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কী ভূমিকা ছিল এই সব বিষয় ইডির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই কিছু বিষয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানিয়েছিল ইডি। তবে ওই সূত্রের দাবি, এ বার সবিস্তার রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও কোন কোন ইডি অফিসার ছিলেন তদন্তে? তল্লাশি চলাকালীন কোন কোন পদ মর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন? তাঁদের সঙ্গে কী কী কথা হয়েছিল- সবটা জানতে চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।রাজ্যের শাসকদল ইডি তদন্তের বিষয়টিকে সামনে রেখে কী রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছে, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে ওই রিপোর্টে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর কলকাতার ইডি দফতর থেকে রিপোর্ট পাঠানো হবে দিল্লির দফতরে।
আরও পড়ুন: প্রতিবাদে পথে মমতা, মিছিলে শামিল নেতা-কর্মী থেকে টলিপাড়া
প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার সকালে ইডির রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সেক্টর ফাইভের দফতর এবং ওই কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন। দুপুর ১২টা নাগাদ ইডির আধিকারিকেরা তল্লাশি চালানোর সময়েই প্রতীকের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকের বাড়ি থেকে ফাইল-ল্যাপটপ নিয়ে নিজের গাড়িতে তুলে রাখেন। প্রতীকের বাড়ি থেকে মমতা যান আইপ্যাকের দফতরে। সেখান থেকেও কিছু ফাইল এনে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে রাখা হয়। বিকেল ৪টে ২২ মিনিটে আইপ্যাকের দফতর থেকে বেরোন মুখ্যমন্ত্রী। ইডির অভিযানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন মমতা। দাবি, তাঁর দলের নির্বাচনী কৌশল হরণ করা হয়েছে। গোপনে চুরি করা হয়েছে দলের নথিপত্র। পরে তদন্তে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে ইডি আদালতের দ্বারস্থ হয়।







