ওয়েব ডেস্ক : প্রশান্ত মহাসাগরে দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে ‘এল নিনো’(El Nino)। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (WMO) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, অগাস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে এই জলবায়ুগত পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী রূপ নিতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ছন্দে।
মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত বাড়ছে। WMO-র মডেলগুলির পূর্বাভাস বলছে, আগস্ট-অক্টোবর সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার গড় বিচ্যুতি প্রায় ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রার প্রবণতা এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের (Rain) পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও খবর : ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ, ইরানের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধ UAE-র!
এল নিনোর (El Nino) প্রভাব সব জায়গায় একরকম হয় না। কোথাও খরা ও দাবদাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে, আবার কোনও অঞ্চলে অতিবৃষ্টির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের এই উষ্ণায়নের পাশাপাশি ভারত মহাসাগরে ‘পজিটিভ ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোল’ তৈরি হওয়ার পূর্বাভাসও রয়েছে। এই দুই জলবায়ু প্রক্রিয়া একসঙ্গে আঞ্চলিক আবহাওয়ার উপর প্রভাব আরও বাড়াতে পারে।
ভারতের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি নজরে রাখছে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। WMO-র পূর্বাভাসে ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের আবহাওয়া দফতরের ১৩ অগস্টের তথ্য অনুযায়ী, ১ জুন থেকে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত দেশে সামগ্রিক বৃষ্টির ঘাটতি ছিল ১২ শতাংশ। এল নিনোর তীব্রতা আগামী মাসগুলিতে আরও বাড়লে কৃষি, জলসম্পদ এবং তাপমাত্রার উপর তার প্রভাব কতটা পড়ে, সেটাই এখন নজরে।







