ওয়েবডেস্ক- ১৯৯৪- এর পর ২০২৬। দীর্ঘ ৩২ বছরের ব্যবধান। ফের সেই একই রূপে আজ দেখা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বালুরঘাট জেলা আদালতে (Balurghat District Court) আইনজীবীর (Lawyer) পোশাকে কালো কোর্ট গায়ে দিয়ে মামলা লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী শঙ্কর চক্রবর্তী, বিপ্লব মিত্র, সুভাষ চাকির মতো আইনজীবীরা। সেই মামলায় গ্রেফতার হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সওয়াল করেছিলেন তিনি।
আর এবার ২০২৬ সালে যখন এসআইআর (SIR) নিয়ে বঙ্গ রাজনীতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, ঠিক তখন রাজ্যের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সওয়াল করতে দেখা গেল। আইনজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টেও কালো কোট গায়ে দিয়ে তাঁর সওয়াল করতে বাধা নেই। এদিন সাদা শাড়ির উপরে কালো চাদর গায়ে দিয়েই সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল জবাবে অংশ নিতে দেখা গেল তাঁকে।
মুখ্যমন্ত্রী তার একাধিক জনসভায় বলেছিলেন, বালুরঘাটে তিনি আইনজীবী হিসেবে কালো কোট গায়ে মামলা লড়েছিলেন। আইন পাশ করলেও অবশ্য সে ভাবে আইনজীবীর পেশায় তিনি থাকেননি। কিন্তু এবার এসআইআর আবহে যখন একের পর মানুষের নাম বাদ যাচ্ছে তখন এসআইআর ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ মানুষকে হেনস্থার প্রতিবাদে তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে লড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে আবেদন জানাব, মানুষের হয়ে কথা বলব। আমি আইনজীবী। কিন্তু নাগরিক হিসেবে যাব। আমি আমার কথা বলতেই পারি।’
আরও পড়ুন- ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়েই কমিশনকে নিশানা মমতার
আজ সেই ভাবে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর ইস্যুতে সওয়াল জবাব করে ইতিহাস রচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে আজকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই চ্যালেঞ্জ কার্যত নির্বাচন কমিশনকে বড়সড় ধাক্কা দিল।







