Wednesday, February 18, 2026
HomeScrollনতুন বছরেই খুলছে রোহিণীর রাস্তা, স্বস্তিতে পর্যটক থেকে পাহাড়ের ব্যবসায়ীরা
Rohini

নতুন বছরেই খুলছে রোহিণীর রাস্তা, স্বস্তিতে পর্যটক থেকে পাহাড়ের ব্যবসায়ীরা

রাস্তা পুরোপুরি খুলতে আরও ৭–১০ দিন সময় লাগতে পারে

শিলিগুড়ি: প্রায় তিন মাস পর ফের খুলতে চলেছে শিলিগুড়ি – কার্শিয়াং (Siliguri- Kurseong) সংযোগকারী রোহিণীর (Rohini) রাস্তা। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ-GTA) জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকেই ওই পথে ছোট গাড়ি চলাচল শুরু করার চেষ্টা চলছে। এই খবরে স্বস্তি ফিরেছে পর্যটক, পরিবহণ চালক থেকে শুরু করে রোহিণী এলাকার হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

জিটিএ-র পূর্ত দফতরের ভারপ্রাপ্ত এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর সোনম লেপচা জানান, ইংরেজি বছরের প্রথম দিন থেকেই রোহিণীর রাস্তা ছোট গাড়ির জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দিনরাত কাজ চলছে। তবে সব ধরনের যান চলাচলের জন্য রাস্তা পুরোপুরি খুলতে আরও ৭–১০ দিন সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন: শাহী বৈঠকের পর সক্রিয় দিলীপ ঘোষ, আজ রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীকের সঙ্গে বৈঠক

গত ৪ অক্টোবর রাতে পাহাড়ে ভারী বর্ষণের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই রাতেই রোহিণীর ব্যস্ত পিচ রাস্তার প্রায় ৫০ মিটার অংশ ধসে যায়। এরপর থেকেই শিলিগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

জিটিএ আগেই জানিয়েছিল, রাস্তা মেরামত করতে অন্তত দু’ থেকে তিন মাস সময় লাগবে। সেই সময় থেকেই শিলিগুড়ি থেকে কার্সিয়াং ও দার্জিলিং যেতে জাতীয় সড়ক ১১০ বা হিলকার্ট রোড ব্যবহার করতে হচ্ছে।

রোহিণীর রাস্তা বন্ধ থাকায় যাতায়াতে সময় ও খরচ দুইই বেড়েছে বলে অভিযোগ পরিবহণ চালকদের। তরাই চালক সংগঠনের সম্পাদক মেহেবুব খান বলেন, “রোহিণীর রাস্তা বন্ধ থাকায় শিলিগুড়ি থেকে কার্সিয়াং হয়ে দার্জিলিং যেতে অন্তত ৮–৯ কিলোমিটার বেশি ঘুরতে হচ্ছে। এতে আমাদের খরচ অনেকটাই বেড়েছে।”জিটিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিচু দিক থেকে বোল্ডার ও লোহার জালি দিয়ে শক্ত বাঁধ তৈরি করে ধাপে ধাপে নতুন রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। সোমবার এলাকা পরিদর্শনে দেখা গিয়েছে, লোহার জালি ও বোল্ডার বসানোর কাজ প্রায় শেষের পথে। ১ জানুয়ারি থেকে মোটরবাইক, স্কুটার ও চারচাকার ছোট গাড়ি চলাচলের জন্য একাধিক কর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছে।

রাস্তা খোলার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। রোহিণীর হোটেল ব্যবসায়ী রাজু গুপ্তা বলেন, “তিন মাস ধরে হোটেল পুরো বন্ধ। ছ’জন কর্মীই বাড়ি চলে গিয়েছেন। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। রাস্তা যত দ্রুত খুলবে, ততই ভালো।”স্থানীয় বাসিন্দা সুবোধ ছেত্রী জানান, রাস্তা বন্ধ থাকায় তাঁর সবজি বিক্রির ব্যবসা বন্ধ ছিল। “শুনেছি কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তা খুলবে। আবার শাক-সবজি বিক্রি করে রোজগার করতে পারব,” বলেন তিনি। রোহিণীর রাস্তা খুললে পাহাড়ে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ফের গতি আসবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot idn poker 88