ওয়েবডেস্ক- বছর পড়তে না পড়তেই বাংলায় ভোটের (Vote) দামামা বেজে উঠেছে। প্রচার শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। আজ আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) সভা করবেন তিনি। গত শুক্রবার নিজের জায়গা দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ভোট প্রচার করেছেন অভিষেক। আজ আলিপুরদুয়ায়ে মেগা সভা।
গতবারের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভার কথা মাথায় রেখে রাজ্যের শাসকদলের তরফ থেকে উত্তরবঙ্গকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক উত্তরবঙ্গ সফরে গেছেন। বন্যা বিপর্যয় ও ভূমিধসের সময় মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বার উত্তরবঙ্গে গিয়ে বিপর্যস্ত মানুষগুলির পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার আলিপুরদুয়ার অভিষেক। সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও চা-বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়েই জনসভা করবেন তিনি। শুক্রবারই সভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুর ১ টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে সভা।
তৃণমূল সূত্রে খবর, শনিবার আলিপুরদুয়ার সংলগ্ন মাঝেরডাবরি চা-বাগানের মাঠে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন সাংসদ। এই সভায় উপস্থিত থাকবে ৬১টি চা-বাগানের শ্রমিকরা। মঞ্চের একেবারে সামনে একটি গ্যালারিতে বসবেন। সেই গ্যালারির কাছে পৌঁছে যেতে তৈরি করা হয়েছে র্যাম্প। সেখান থেকেই সরাসরি অভিষেক কথা বলবেন। একদিকে এসআইআর শুনানি, বাংলার বাইরে পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচার, ভোটার তালিকায় ভোটারদের নাম না থাকা, মতুয়াদের সমস্যা সহ একাধিক বিষয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শানাতে পারেন অভিষেক। দুদিন আগেই রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ। শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে ছিলেন আজ অভিষেক কী বার্তা দেন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বঙ্গবাসী।
আরও পড়ুন- ২৬-এর ভোটে বারুইপুরের সভা থেকে টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক
চা বাগান বাগানের বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্য ক্রেশ ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন অভিষেক। মালবাজারের চা শ্রমিক সমাবেশ থেকে পিএফ বঞ্চনা নিয়েও সরব হন তিনি। এই সমস্ত কিছুই আজ কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করতে পারেন।
২০১৯ লোকসভা, ২০২১ বিধানসভা, ২০২৪ লোকসভা চা বলয়ে ভালো ফল হয় বিজেপির। ধূপগুড়ি ও মাদারিহাট দুই বিধানসভা উপনির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়। তবে লোকসভায় তেমন সুবিধা হয়নি তৃণমূলের। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসন হাতছাড়া শাসক দলের। ফলে এবার জোড়াফুল বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে উত্তরবঙ্গকে।







