Wednesday, February 11, 2026
HomeScrollঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে জুবুথুবু বসিরহাট-সুন্দরবন!
Winter

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে জুবুথুবু বসিরহাট-সুন্দরবন!

উত্তুরে হাওয়ার দাপটে কনকনে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে

ওয়েব ডেস্ক : ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতের (Winter) দাপটে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গের সীমান্ত এলাকা থেকে সুন্দরবন (Sundarbans) অঞ্চল। শিশু, বয়স্ক ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বাড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। গত পাঁচ বছরে তাপমাত্রার (Tempreture) পারদ এতটা নিচে নামেনি, যার ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে শীতের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, বুধবার, ৭ জানুয়ারি ভোর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত শহর বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ এলাকা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে। ইছামতী নদীর দুই তীর জুড়ে কুয়াশার আস্তরণে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে যায়। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে কনকনে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ বসিরহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা থাকলেও ঠান্ডার অনুভূতি অনেক বেশি থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৪–৫ দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকলেও, ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরও খবর : মহেশতলায় কাউন্সিলরের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

কনকনে শীতের মধ্যেই গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবিকা সচল। বসিরহাট, টাকি-সহ বিভিন্ন গ্রামে ভোরবেলায় খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে পাটালি গুড় তৈরিতে ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে গ্রামবাসীদের। ফলে শীতের দাপট উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

তবে এই আবহাওয়ার প্রভাব পড়ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাযতেও। ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি পরিষেবা, যান চলাচল ও ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। একাধিক ট্রেন নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছাতে পারছে না বলেও অভিযোগ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও শীতের প্রকোপ কাটতে সময় লাগবে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

দেখুন অন্য খবর :

Read More

Latest News

toto DEPOBOS https://valebasemetals.com/join-us/ evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast