ওয়েবডেস্ক- ভুয়ো ভোটার (Fake Voter) ধরা পড়লেই একবছরে জেল, দ্বিতীয় দফার (Second Phase) আগে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। প্রথম দফার ভোটদানের নজিরকে সামনে রেখে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সক্রিয় কমিশন। সোমবার নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, বুথ কেন্দ্রে কোনও ভুয়ো ভোটার ধরা পড়লে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, প্রয়োজনে জেলও (Jail) হতে পারে। নির্বাচনকে স্বচ্ছ, অবাধ করতে, শান্তিতে ভোটদানে অঙ্গীকারবদ্ধ কমিশন।
বুথে বুথে সিসিক্যামেরা, এআই, ওয়েবকাস্টিং সহ একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলির কলকাতায় সিইও-র কার্যালয়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের পাশাপাশি জেলা ম্যাজিস্টেট সহ জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে অবস্থিত জেলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষগুলির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা।
পোলিং বুথগুলির উপর সর্বক্ষণ কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি চালানো হবে। ফলে ভুয়ো ভোটার হিসেবে কোনও ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারলেই তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন, সিইও মনোজ আগরওয়াল। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভুয়ো ভোটের প্রচেষ্টা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর ১৭২ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যেখানে অপরাধীর এক বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন- শেষ লগ্নের প্রচারে কলকাতার রাজপথে মমতা, তৃণমূলের মেগা র্যালি ঘিরে জনসমুদ্র
সিইও মনোজ আগরওয়ালের (CEO Manoj Agarwal) কড়াবার্তা, দেশে এক ব্যক্তি, এক ভোট’ নীতি। নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও পরামর্শ বা অভিযোগ থাকলে কমিশনের টোল ফ্রি নাম্বারে ফোন বা মেসেজ করার কথা জানানো হয়েছে।
১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। মোতায়েন ২,৪০৭টি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের কর্মীরাও থাকবেন। মোট ১৪২ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক (অর্থাৎ ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটির জন্য একজন করে) এবং ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন; যা ২৩ এপ্রিল ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রথম দফার ভোটে থাকা ৮৪ জনের চেয়ে বেশি।







