বসিরহাট: যুদ্ধের আঁচ কলকাতা শহর থেকে জেলায় জেলায়। যুদ্ধ আবহে জ্বালানি সংকট। কলকাতায় সিএনজির জোগান কমছে বলেই খবর। বুধবার ভোররাত থেকেই গ্যাস রিফিল করার জন্য লম্বা লাইন শহরের প্রায় সব পাম্পেই। একই ছবি বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টারেও। পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। তবে হঠাৎই নতুন সার্কুলার আসায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধি (LPG Price Hike) হয়েছে।আর তার ফলে বাড়ল অটোর গ্যাসের দাম। বাড়তি খরচ সামাল দিতে একাধিক রুটের অটোভাড়া (Auto Fare Increased) বাড়ানো হয়েছে। শুধুমাত্র শহর কলকাতায় নয় এই একই ছবি ধরা পড়েছে জেলাতেও। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম দ্বিগুণ, জ্বালানির অভাবে দেখা দিয়েছে বসিরহাটেও (Basirhat)। সেখানে ৩ হাজার অটো চলে তার জায়গায় ৫০০ অটো চলছে। ইজরাইল ইরান যুদ্ধের পরোক্ষ প্রভাব সেইসঙ্গে বাড়ছে কালোবাজারি।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহাকুমার সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের একাধিক রুটে প্রায় তিন হাজার অটো রয়েছে যার নির্ভর বাণিজ্যিক গ্যাসের উপর। কেজিপ্রতি আগের দাম ছিল ৭২ টাকা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০ টাকা। প্যাসেঞ্জারের ভাড়া একই রয়ে গেছে সেই সঙ্গে যোগান কমেছে।গ্যাসের যার ফলে আগামী পরিবহন ব্যবস্থার উপর প্রত্যক্ষভাবে কোপ পড়েছে অটো চালকরা বলছেন গত ৪৮ ঘন্টায় ২০০০ থেকে আড়াই হাজার অটো রাস্তায় নামেনি। কারণ বাণিজ্যিক গ্যাসের সাপ্লাই একেবারে ভেঙে পড়েছে। এই সুযোগে ফরে দালালরা বাড়িতে গ্যাস মজুদ করে সেগুলো তিনগুন দামে বিক্রি করে কালোবাজারি করছে এমনটাই অভিযোগ অটোচালদের।
আরও পড়ুন: ভয়াবহ ঘটনা গঙ্গাসাগরে! ঘটনার তদন্তে পুলিশ
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্যাসের যোগান যদি আগের মতো না থাকে রাস্তার থেকে এলপিজি অটো পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে সেইসঙ্গে প্যাসেঞ্জাররা আগের নির্ধারিত ভাড়ায় অটো চালকদের দিচ্ছেন অতিরিক্ত ভাড়ার কথা বললে যাত্রী ও অটো চালকদের মধ্যে গন্ডগোল বাক বিধানদায় জড়িয়ে পড়ছেন বাণিজ্যিক গ্যাস যোগান না থাকলে আগামী দিনে অটো বন্ধ রেখে বাড়িতে বসে থাকতে হবে সেই সঙ্গে জীবন জীবিকার টান পড়তে পারে এর সঙ্গে যুক্ত থাকার দশ হাজার মানুষের গ্যাস অফিসে কর্মচারী বিনয় সরকার বলেন, কারখানাতে গ্যাস লোডি হচ্ছেনা যোগান কমেছে গ্যাস আর আসছেনা সমস্যা বেড়েছে কবে স্বাভাবিক হবে তা এখন কেউ বলতে পারছে না।







