HomeScrollচা-বাগানের অব্যবহৃত জমিতে বড় বদল, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের সীমা ৩০ থেকে কমে...
Tea Garden

চা-বাগানের অব্যবহৃত জমিতে বড় বদল, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের সীমা ৩০ থেকে কমে ১৫ শতাংশ করা হল

চা পর্যটন ও আনুষঙ্গিক ব্যবসার অনুমতি থাকলেও সর্বোচ্চ ১৫০ একরের বেশি জমি ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না

ওয়েব ডেস্ক : চা-বাগানের (Tea Garden) অব্যবহৃত জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। এতদিন বাগানের অব্যবহৃত জমির সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত চা পর্যটন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের অনুমতি ছিল। মন্ত্রিসভার বুধবারের বৈঠকে সেই সীমা অর্ধেক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ জমি এই ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে।

তবে শতাংশের পাশাপাশি জমির পরিমাণের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। সংশোধিত নীতি অনুযায়ী, কোনও চা-বাগানের (Tea Garden) ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক বা পর্যটন প্রকল্পের জন্য ব্যবহৃত জমির পরিমাণ কোনওভাবেই ১৫০ একরের বেশি হতে পারবে না। ‘চা পর্যটন এবং আনুষঙ্গিক ব্যবসায়ী ক্রিয়া-কলাপ নীতি, ২০১৯’-এ সংশোধন এনে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও খবর : খুলল অন্নপূর্ণা যোজনার পোর্টাল, ঘরে বসেই জানুন আবেদনের স্ট্যাটাস! বাতিল হলে ফের আবেদনের সুযোগ

চা-বাগানের মূল চাষের জমিকে বাণিজ্যিক প্রকল্পের চাপ থেকে রক্ষা করতেই অব্যবহৃত অংশ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই নিয়মে হোটেল, ইকো-ট্যুরিজম এবং পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্প করার সুযোগ ছিল। কিন্তু এবার জমি ব্যবহারের পরিসর কমিয়ে দেওয়ায় বাণিজ্যিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ তৈরি হল। সরকারের লক্ষ্য, পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা বজায় রেখেও চা-শিল্পের জমির চরিত্র সুরক্ষিত রাখা।

চা-বাগানের জমির মালিকানা ও লিজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে লিজহোল্ড জমি ফ্রিহোল্ড করার সময় সরকারি সম্পত্তির হস্তান্তর বা বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ প্রশ্ন তুলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবিও উঠেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে অব্যবহৃত চা-বাগানের জমি ব্যবহারের সীমা কমানোর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News