কলকাতা: ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar, ) চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি এবং অভিনেতা-সাংসদ দেবকে হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানোর নিন্দা করলেন। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী হিয়ারিংয়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানালেন। চিঠির শেষে কটাক্ষের সুরে মমতা লিখেছেন, “যদিও আমি জানি আপনি জবাব দেবেন না কিংবা ব্যাখ্যা দেবেন না। তবু আপনাকে জানানো আমার দায়িত্ব।”
এসআইআরে নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে! এমন অভিযোগ তুলে আবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় সংবেদনশীলতার অভাব রয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘এসআইআরের নামে নির্বাচন কমিশন যে ভাবে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছে তাতে আমি স্তম্ভিত এবং বিরক্ত।’তাঁর অভিযোগ, যে পদ্ধতিতে শুনানি চলছে, তা ত্রুটিযুক্ত। অবিলম্বে এই পদ্ধতি বন্ধ হোক।চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে মমতা লেখেন, “যদিও দেরি হয়ে গিয়েছে। তবু আশা করি, মানুষের হয়রানি কমাতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবেন।
আরও পড়ুন: ED-র রেডকে পাত্তা না দিয়ে বাঁকুড়ায় অভিষেক, বিজেপিকে তুলোধনা করে কী বললেন শুনুন?
মমতার অভিযোগ, শুধু সাধারণ মানুষ নন, এসআইআর শুনানিতে ‘হয়রানির শিকার’ হতে হয়েছে নোবেলজয়ী অধ্যাপক অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব) বা ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো স্বনামধন্যদেরও। শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তাঁরাও। সেই বিষয় তুলে কমিশনের আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। নামের বানান সামান্য বদল হলে কিংবা বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের পার্থক্য ১৮-১৯ হলেই হিয়ারিংয়ে ডেকে কেন হয়রানি করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন মমতা। মাইক্রো অবজার্ভারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই একতরফা ভাবে তাঁদের নিয়োগ করেছে কমিশন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছেন। যদিও চিঠির শেষে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে লিখেছেন, ”জানি আপনি হয়তো চিঠির জবাব দেবেন না। কিন্তু আপনাকে বিস্তারিত সব জানানো আমার কর্তব্য।”এর আগে তিনবার চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি।







