ওয়েবডেস্ক- শোকস্তব্ধ ইরান। নিহত হয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনি (Iran supreme leader Ayatollah ali khamenei) । দেশের সরকার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সাতদিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর জানিয়েছে সেই দেশের সংবাদমাধ্যম। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনি নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যম (Iranian Media) । এছাড়াও এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
“Khamenei, one of the most evil people in History, is dead. This is not only Justice for the people of Iran, but for all Great Americans, and those people from many Countries throughout the World, that have been killed or mutilated by Khamenei…” – President Donald J. Trump pic.twitter.com/oXZTFGg5pS
— The White House (@WhiteHouse) February 28, 2026
রবিবার সোশ্যাল মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে (Truth Social) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump) বলেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম এক নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের মানুষের জন্যই নয়, বরং সেইসব মার্কিনি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের জন্যও এক ন্যায়বিচার হয়েছে বিচার। যাদের খামেনি এবং তার রক্তপিপাসু গুন্ডাবাহিনী হত্যা কিংবা পঙ্গু করে রেখেছিল। তিনি আমাদের গোয়েন্দা এবং অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। ইজরাইলের সঙ্গে মিলে আমরা এমন এক অভিযান চালিয়েছি যে, খামেনি বা তার সঙ্গে মারা যাওয়া অন্য নেতাদের আসলে কিছুই করার ছিল না।
আরও পড়ুন- আয়াতুল্লা আলি খামেনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইরানে, সাতদিনের সরকারি ছুটি
ট্রাম্পের আরও সংযোজন, ‘ইরানের জনগণের জন্য তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা খবর পাচ্ছি যে, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড, সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চায় না এবং তারা আমাদের কাছে ক্ষমা বা নিরাপত্তা চাইছে। আমি গত রাতেই বলেছি, এখনই সুযোগ, তারা চাইলে ক্ষমা পেতে পারে, কিন্তু দেরি করলে মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই পাবে না তারা।’ আশা করি, বিপ্লবী গার্ড ও পুলিশ বাহিনী ইরানি দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে একাত্ম হবে ও দেশটাকে তার প্রাপ্য মর্যাদায় ফিরিয়ে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। সেই প্রক্রিয়া খুব দ্রুত হওয়া প্রয়োজন। কারণ শুধু খামেনির মৃত্যু নয়, মাত্র একদিনের ব্যবধানে দেশটির ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য সহ সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠারর লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই নিখুঁত ও ভারী বিমান হামলা পুরো সপ্তাহজুড়ে অথবা প্রয়োজনমতো বিরামহীনভাবে চলতে থাকবে’।







