ওয়েব ডেস্ক : ইরানে (Iran) নারী স্বাধীনতা ও কঠোর ধর্মীয় বিধিনিষেধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কের কেন্দ্রে। আর এর পিছনে ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই (Ali Khamenei
)। হিজাব আইন ঘিরে বিক্ষোভের সময় নীতি পুলিশের হাতে তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। সেই সময়ই সমাজমাধ্যমে আলোচনায় আসেন ‘মর্টিসিয়া অ্যাডামস’ ছদ্মনামে পরিচিত এক ইরানি তরুণী। যিনি প্রকাশ্যে খামেনেইর ছবিতে আগুন লাগিয়ে সেখান থেকে সিগারেট জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এবার খামেনেইয়ের মৃত্যু পর প্রকাশ্যে উচ্ছ্বাস দেখালেন এই ইরানি শরণার্থী।
মূলত, নিরাপত্তার কারণেই নিজের আসল পরিচয় গোপন রেখেছেন ওই তরুণী। তাঁর দাবি, ভিন্নমত প্রকাশ করায় ইরান (Iran)-এ গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। পরে সেখান থেকে পালিয়ে প্রথমে তুরস্ক এবং বর্তমানে ছাত্র ভিসায় টরন্টো-তে বসবাস করছেন।
আরও খবর : মিসাইল হামলার শিকার আব্রাহাম লিঙ্কন! আমেরিকার দম্ভে আঘাত করল ইরান?
সম্প্রতি খামেনেইর মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই ফের আলোচনায় উঠে আসে এই তরুণী। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যায় কানাডা-য় আয়োজিত ইরান-বিরোধী সমাবেশে অংশ নিয়েছেন তিনি। ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, “বলেছিলাম তো, ওর কবরের ওপর নাচব।” অন্য একটি পোস্টে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর মন্তব্য উদ্ধৃত ওই তরুণী লিখেছেন, “ইঁদুরের মতো মারা গিয়েছেন খামেনেই।”
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইরানের উপর হামলা শুরু করে আমেরিকা (America) ও ইজরায়েল (Israel)। সেই হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। তবে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পাশাপাশি আরও অন্তত ৪৮ জন নেতার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর বিশ্বের।
দেখুন অন্য খবর :







