কলকাতা: রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট এখনও প্রকাশ হয়নি। যেকোনও দিন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পয়লা মার্চ অর্থাৎ রবিবার প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী বাংলায় এসেছে।শুরু হয়েছে রুট মার্চও। ১০ মার্চের আগেই দ্বিতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে রাজ্যে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) আসছে রাজ্যে বলে জানা গিয়েছে। এই ধাপে রাজ্যের কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন (Central Force Deployment) করা হবে তা চূড়ান্ত করে ফেলল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশনের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবথেকে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় অর্থাৎ বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং সুন্দরবনে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে রাজ্যে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ৭-৮ মার্চের মধ্যেই দ্বিতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসবে রাজ্যে।১০ মার্চের আগেই বাহিনী আসবে তা জানানো হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। ইতিমধ্যই প্রথম দফায় আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করে দিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা চূড়ান্ত করে ফেলল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবথেকে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় অর্থাৎ বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং সুন্দরবনে। মোট ৪৮০ কোম্পানির মধ্যে ৩৩ কোম্পানি মোতায়েন হচ্ছে এই জেলায়। এরপরেই রয়েছে কলকাতা। ভোটের আগে কলকাতায় দু’দফা মিলিয়ে মোতায়েন হচ্ছে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী।উত্তর ২৪ পরগনাতেই মোতায়েন হবে আরও ২৮ কোম্পানি বাহিনী। কলকাতাতেও মোতায়েন হবে আরও ১৮ কোম্পানি।
আরও পড়ুন: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন সুকান্ত মজুমদার!
সব মিলিয়ে ৪৮০ কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনাতেই। সেখানে তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে আগামী মঙ্গলবার (১০ মার্চ থেকে) বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে হবে মোট ৫৮ কোম্পানি। মুর্শিদাবাদেও বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে হবে ৫৮ কোম্পানি। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩৩ কোম্পানি এবং কলকাতায় ৩০ কোম্পানি মোতায়েন থাকবে আগামী সপ্তাহ থেকে। এর মধ্যে কিছু বাহিনী পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার থেকেই মোতায়েন হয়ে গিয়েছে জেলায় জেলায়।দুই ধাপে মিলিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, হুগলিতে ২৭ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি, নদিয়ায় ২২ কোম্পানি, হাওড়া এবং বীরভূমে ২১ কোম্পানি, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরে ১৯ কোম্পানি, মালদহে ১৮ কোম্পানি, পশ্চিম বর্ধমানে ১৭ কোম্পানি, দার্জিলিঙে ১৬ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৫ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৩ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ১১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়িতে ১০ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে সাত কোম্পানি এবং কালিম্পঙে হচ্ছে চার কোম্পানি।
রাজ্য জুড়ে মোতায়েন করা এই কেন্দ্রীয় বাহিনীগুলির প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে থাকবেন। আগেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানো— এই সব দায়িত্বেই তাদের ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি কোম্পানির ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে, বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে।শান্তিপূর্ণ যাতে ভোট হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। আর তাই নজিরবিহীনভাবে ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে বাহিনী। কিন্তু সেই বাহিনীকে যে বসিয়ে রাখা যাবে না তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন।







