ওয়েব ডেস্ক: রাজ্য সফরে এসে অমিত শাহ (Amit Shah) নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন।তাতে বিজেপি জোর দিয়েছেন ক্ষমতায় এসে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন দেওয়ার। রবিবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের জনসভায় সপ্তম পে কমিশন (WB Government Employee Seventh Pay Commission) ঘোষণার দাবিতে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এ দিন তিনি বলেন, ”এত মিথ্যাবাদী ওরা! বলছে ওদের সরকার এলে সপ্তম পে কমিশন করে দেবে। আরে একটু তো খবর নাও। চেয়ারটার তো অমর্যাদা কোরো না। আমাদের বাজেটে ফেব্রুয়ারি মাসে সপ্তম পে কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছি। বেঙ্গল একমাত্র স্টেট, যেখানে পেনশন দেওয়া হয়। অন্য কোনও রাজ্যে নেই।”
বিজেপি একাধিকবার অভিযোগ করেছে বাংলায় বেকারত্বের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কাজের অভাবে বাংলার ছেলেমেয়েরা ভিন রাজ্যে চাকরির খোঁজে পাড়ি দিচ্ছে। রাজ্যে ক্ষমতায় এসে বেকারত্ব দূর করবে, যুবদের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এদিন নির্বাচনী জনসভা থেকে মমতা বলেন, বাংলায় ২ কোটি লোকের চাকরি আমরা দিয়েছি।বলছে, এখানে না কি চাকরি হয় না? পাল্টা বিজেপিকে চাকরি নিয়ে তোপ দেগে মমতা বলেন, তোমাদের ডিফেন্সে কটা লোক নিয়েছ? তোমার রেলে গ্যাংম্যান নেই। একটাও শূন্যপদ ভর্তি করোনি। বলেছিল বছরে ২ কোটি লোকের চাকরি দেবে, একটাও দাও নি। আর বাংলায় ২ কোটি লোকের চাকরি আমরা দিয়েছি। আর ৪০ শতাংশ বেকারি কমেছে। এটাই সত্য। চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি। আলুচাষিদের জন্য তৃণমূলের সরকার কী কী করেছে, খণ্ডঘোষের সভা থেকে তা তুলে ধরেন মমতা।কৃষি উৎপাদন বাংলায় কত বেড়েছে খবর রাখ? আলুচাষিদের জন্য ক্রপ ইনসিওরেন্স করেছি। আলু নষ্ট হলে তিনি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কৃষকবন্ধু ১০ হাজার টাকা পান। যার এক একর জমি আছে। এ বার থেকে ক্ষেতমজুরদেরও বছরে চার হাজার টাকা দেওয়া হবে।
কাটোয়ায় গিয়ে বলে এসেছে, সীতাভোগ, মিহিদানা সব বিদেশে রফতানি হবে। ওরা জানে না শক্তিগড়ের ল্যাংচাও আছে। আমরা মিষ্টিহাব তৈরি করে দিয়েছি। আর বিশ্ববাংলার সব দোকানে আমরা সীতাভোগ, মিহিদানা বিক্রি করি। বাংলার হাটেও বিক্রি করি এবং বিদেশেও রফতানি করি।ঘটনাচক্রে, শনিবার কাটোয়ায় ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা। এদিন সভা থেকে নাম না করে হুমায়ুনকে তোপ দেগে মমতা বলেন, একটা পার্টিকে ভাগ করার জন্য ১০০০ কোটি টাকার ডিল করেছে। বলছে, ভিডিয়োটি না কি আর্টিফিশিয়াল। যে করেছে সে বলছে ভিডিয়োটি সত্যি। বলছি, কত শাক দিয়ে মাছ ঢাকবেন? অনেক টাকা না? যখন গ্যাসের টাকা বাড়ে, তখন তো কমান না! পেট্রলের দাম বাড়ে, কমান না। ইলেকশন হয়ে গেলে আবার হুহু করে দাম বেড়ে যাবে। গ্যাস পাবেন না, পেট্রল পাবেন না, হোটেল বন্ধ হয়ে যাবে। ভাবুন, চিন্তা করুন।







