ওয়েব ডেস্ক: কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikar) বৈঠকে হাজির তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (TMC MP Kakoli Ghosh Dastidar)। দেগঙ্গা ও স্বরূপনগরের বিধায়কও সেখানে উপস্থিত রয়েছেন বলে খবর। বিজেপি মন্ত্রী ও বিধায়কদের সঙ্গে উপস্থিত হলেন তৃণমূল বিধায়করাও। তিন জেলার প্রশাসনকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকে বসেছেন। নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি নিয়ে বৈঠক হবে। কাকলি বলেন, ‘প্রশাসন সবার।’
উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি- এই তিন জেলা নিয়ে কল্যাণীতে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক বৈঠক। এই তিন জেলায় কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শুরুর আগে উপস্থিত হয়েছেন দিলীপ ঘোষ ও অগ্নিমিত্রা পালরা। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। দেওয়া হয় গার্ড অফ অনার।সেখানেই সাত সকালে দেখা যায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। পৌঁছন দেগঙ্গা ও স্বরূপনগরের তৃণমূল বিধায়করা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগে বলেছিলেন, বিরোধীদেরও প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকা হয়, এবার কি তাই হল, এনিয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি কেউই।
আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি করিডর ঘিরে বড় কৌশল! ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক রিজিওন’ হতে পারে চিকেনস নেক
তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই উপস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। তবে কি এবার ফুলবদল করতে চলেছেন TMC সাংসদ। এদিন তাঁর উপস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “প্রশাসন সবার।”এটা প্রশাসনিক বৈঠক কোনও দলের মিটিং নয়। প্রশাসনিক উন্নয়নের কাজে যোগ দিতে তিনি এসেছেন। গত কয়েকদিন আগেই বারাসত জেলা সভাপতির পদ ছাড়েন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরানো হয় বারাসতের সাংসদ কাকলিকে। বদলে সেই পদে আসেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপের পদ যেতেই স্যোশাল মিডিয়ায় বোমা ফাটান।ফেসবুকে কাকলি লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।” তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে শুরু হয়েছে দলবদলের চর্চাও। তার মধ্যেই এবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা গেল কাকলী ঘোষ দস্তিদারকে।







