কলকাতা: বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম (Strongroom Bidhannagar) ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। তৃণমূল–বিজেপি (Trinamool-BJP Clash) দু’পক্ষের মধ্যে চলল স্লোগানযুদ্ধও। যদিও পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, তারা লাঠিচার্জও করেছে।বিধাননগর কলেজের গেটে ইন্সটল করা হচ্ছে মেটাল ডিটেক্টর। বেলা বাড়তে বাড়ছে নিরাপত্তার ঘেরাটো। কলেজের চারিদিকে লাগানো হচ্ছে টিন।
রাজ্যের সর্বত্র স্ট্রংরুমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তৎপর হচ্ছে তারা। এর মাঝেই বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমের সামনে উত্তেজনা ছড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়।স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে বিজেপির ক্যাম্প অফিসের সামনে দলীয় পতাকা লাগানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তা থেকেই বিবাদের সূত্রপাত। এর পরেই বচসায় জড়ায় দুই যুযুধান পক্ষ। বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়, যার জেরে শুরু হয় বচসা এবং পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছায়। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। ঘটনায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাজ্যে গণনায় ৪৩২ পর্যবেক্ষক, কোন জেলায় কতজন?
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজারহাট-নিউ টাউন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। পৌঁছন বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। এই ঘটনায় বিজেপি এবং তৃণমূল দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়।বেলা বাড়তে বাড়ছে নিরাপত্তার ঘেরাটো। কলেজের চারিদিকে লাগানো হচ্ছে টিন।







