নয়াদিল্লি: বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Bandyopadhyay)যখন বিজেপির সদর দফতর থেকে বঙ্গভবনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সেখানে দেখা যায় ঋতব্রত পাশ দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু কথাও হচ্ছে। দলের অন্দরে দুর্নীতি নিয়ে যে সব তৃণমূল বিধায়ক সবচেয়ে বেশি সরব, তাদের মধ্যে অন্যতম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঋতব্রতর সঙ্গে দিল্লিতে আচমকা দেখা হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়রা যখন ঘর না পেয়ে মেঝেতে বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তখন দিল্লিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কী করছিলেন সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।তিনি বলেন, ‘আমি দিল্লি এসেছি কারণ আমার সাংসদ হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে এবং আমায় বাড়ি ছাড়তে হবে। আইডি কার্ড পরিবর্তন, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার মতো কিছু কাজ ছিল। ঋতব্রত জানান, আধ মিনিটের সাক্ষাৎ হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমায় বললেন, MLA-দের আমি খুব শীঘ্রই মিটিংয়ে ডাকছি, অবশ্যই আসবেন। সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে বঙ্গভবনে দুপুরের খাবার খেতে গিয়েছিলেন ঋতব্রত। ঘটনাচক্রে সেসময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বঙ্গভবনেই ছিলেন।বিজেপির সদর দফতর থেকে ওই সময়ই বঙ্গভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল বিধায়ককে দেখে সৌজন্য বিনিময় করেন তিনি। সামান্য সময়ের জন্য দু’জনের কথাও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ঋতব্রতকে ‘বিধায়ক সাহেব’ বলে সম্বোধন করেন। শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে বলেন, “আমরা উন্নয়নের স্বার্থে বৈঠক ডাকব।
আরও পড়ুন: বিধানসভায় এখনও ঘর মেলেনি, তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল বিধায়কদের







