ওয়েব ডেস্ক: আবারও বাড়তে চলেছে জরুরি ও জীবনদায়ী ওষুধের দাম (Medicine Price Hike), যার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে সাধারণ মানুষের পকেটে। কেন্দ্রীয় ওষুধ মূল্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা (NPPA) ২০২৫ সালের পাইকারি মূল্য সূচক বা হোলসেল প্রাইস ইনডেক্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য ০.৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে বলে খবর।
এর ফলে ন্যাশনাল লিস্ট অফ এসেনশিয়াল মেডিসিনসের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৯০০ ধরনের ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে। এই তালিকায় থাকা ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টাসিড, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ওষুধ, পেইনকিলারসহ একাধিক অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সামগ্রী। ফলে দৈনন্দিন চিকিৎসা খরচ আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।
আরও পড়ুন: আজ থেকে শুরু জনগণনার কাজ, ৩৩ প্রশ্নের তালিকা নিয়ে দুয়ারে কেন্দ্র
সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পাইকারি মূল্য সূচক গড়ে ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই বৃদ্ধির হার অনুযায়ীই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে দাম বাড়ানোর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। যদিও এই বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম, তবুও নিয়মিত ওষুধ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালে ওষুধের দামে প্রায় ১২ শতাংশের রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল। তবে ২০২৪ সালে মাত্র ০.০৫ শতাংশ বৃদ্ধির কারণে তেমন প্রভাব পড়েনি বাজারে। কিন্তু ২০২৫ সালে ফের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতি আবার চাপে পড়তে চলেছে।
এদিকে গত বছরই প্রেসার, সুগার, গ্যাস, জ্বর, বমি, রক্ত পাতলা করার ওষুধ, হাঁপানি, মানসিক রোগ যেমন সিজোফ্রেনিয়া এবং এইডসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বহু ওষুধের দাম বেড়েছিল প্রায় ১.৭৪ শতাংশ হারে।
দেখুন আরও খবর:







