ওয়েবডেস্ক- এবার নাগরিকত্ব ইস্যুতে (Citizenship Issue) চাপে কংগ্রেস (Congress) নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। (Sonia Gandhi) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় (Votar List) নাম তুলে নিয়েছিলেন! আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লির এক আদালত সোনিয়া গান্ধীর মতামত জানতে চেয়েছিল। কিন্তু সময়মতো নথি জমা করেননি তিনি, তার বদলে আদালতের কাছে বাড়তি সময় চেয়ে নিলেন সোনিয়া গান্ধী। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে (Delhi Rouse Avenue Court) সোনিয়ার নাগরিকত্ব মামলার শুনানি চলছে।
মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রীর তরফে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালত যে নথিগুলো চেয়ে পাঠিয়েছে, সেগুলি পাঁচ বছরের পুরনো। ওই সব নথি একসঙ্গে করে জমা দিতে আরও সময় লাগবে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে সোনিয়া গান্ধী। কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল। তবে তিনি তিন বছর পর নাগরিকত্ব পান।
আরও পড়ুন- ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ, বৈঠক মোদির সঙ্গে
এদিকে সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডেলে ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের তালিকার ছবি পোস্ট করেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর নাম।
মালব্য দাবি করেন, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় সোনিয়ার নাম যুক্ত করা হয়। তার আরও দাবি, জনগণের বিরোধিতার মুখে সেই নাম ১৯৮২ সালে বাদ দেওয়া হয় তার পরে ১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে ফের সোনিয়া গান্ধীর নাম তালিকাভুক্ত করা হয়। এর পর ১৯৮২ সালের এপ্রিলে ভারতে নাগরিকত্ব পান সোনিয়া গান্ধী। এই অভিযোগ তুলেই সোনিয়ার বিরুদ্ধে আগেই মামলা দায়ের হয় দিল্লির এক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। সেই মামলা দায়ের আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত। এর পরেই আদালত জানিয়ে দেন, নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যায় না। নিম্ন আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে যান বিকাশ ত্রিপাঠী নামের আইনজীবী।
আবেদনকারীর দাবি, ১৯৮২ সালের ভোটার তালিকা থেকে সোনিয়া গান্ধীর নাম মুছে দেওয়া হয়। এর পর ১৯৮৩ সালে ভুয়ো নথির মাধ্যমে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
এদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্পষ্ট জবাব, মায়ের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আনা ভিত্তিহীন। মা দেশের নাগরিক হওয়ার পরেই ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন।







