ওয়েব ডেস্ক : সাল ২০১৭। সে বছরের শুরুতে হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে (Balagarh) ঘটে গিয়েছিল এক ভয়াবহ ঘটনা। সেই সময় ছেলে ধরা সন্দেহে তিন জনকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আহতদের রক্ষা করতে এলে পুলিশের (Police) উপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার আট বছর পর ২৫ জনের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করল চুঁচুড়া আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফ্রার্স্ট কোর্ট (Court)।
২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারী বলাগড়ের (Balagarh) আসানপুর গ্রামে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছিল। সূত্রের খবর, মা, মেয়ে পরিচারিকার খোঁজে সেখানে এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন গাড়ির চালক। কিন্তু তাঁদেরকে ছেলেধরা সন্দেহে ব্যাপক মারধর করা হয়। এমনকি তাঁদের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল।
আরও খবর : ধুলোর জ্বালায় রাস্তায় গ্রামবাসী! ভোটের আগে বিক্ষোভে অস্বস্তিতে তৃণমূল
এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল বলাগড় পুলিশ (Balagarh Police)। কিন্তু, পুলিশের উপরেও আক্রমণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, সেই ঘটনায় আহত হয়েছিলেন ১১ জন পুলিশ কর্মী। তীর বিদ্ধ হয়েছিলেন এক সিভিক ভলেন্টিয়ারও। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন অলোক চট্টোপাধ্যায়। আর এই ঘটনায় ২৭ জনের সাক্ষ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী জয়ন্ত সাহা। তার পরেই বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত।
তার পরেই শুক্রবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করেন বিচারক পীযূষ কান্তি রায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত গোপাল রায় ও পূর্নিমা মালিককে যাবজ্জীবনের সাজা শোনানো হয়। লাকি ২৩ জনকে সাত বছরের জেলের সাজা শোনান বিচারক। এ নিয়ে আইনজীবী শংকর গাঙ্গুলী জানান, একটি মামলায় এক সঙ্গে ২৫ জনের সাজা এক দৃষ্টান্ত হল।
দেখুন অন্য খবর :







