Tuesday, February 10, 2026
HomeScrollFourth Pillar | মোদিজীর বিদায়ঘন্টা কি বেজে গেল?
Fourth Pillar

Fourth Pillar | মোদিজীর বিদায়ঘন্টা কি বেজে গেল?

এসএসএর নির্দেশে আদবানিকে সরিয়ে দেওয়া হয়

আরএসএস বিজেপিকে চালায়, হ্যাঁ এটা অনেকেই শুনেছেন জানেন, বহু সময়ে এই কথা বলেন আনেকে। কিন্তু খুব কম মানুষজন জানেন যে সেই চালানো, মানে সেই কন্ট্রোলটা কোন পর্যায়ের। সেই কন্ট্রোলের, সেই চালনা করার পরিধি সম্পর্কে একতা আইডিয়া দেবার জন্য একটু পুরনো ইতিহাসের কথা বলি। ২০০৪ এ লালকৃষ্ণ আদবানি বিজেপির সভাপতি হলেন। তার আগেই ২০০৪ নির্বাচনে বিজেপি হেরে গেছে, ইন্ডিয়া শাইনিং ইত্যাদি শ্লোগান দেবার পরেও বিজেপি হেরে যায়, যদিও লোকসভাতে সেবারেও বিজেপির সাংসদ আসন ছিল ১৩৮, কংগ্রেসের ১৪৫, কিন্তু ইউপিএ তৈরি হয়, এনডিএ হেরে যায়। সেই ২০০৪ এ দলের সভাপতি হন লাল কৃষ্ণ আদবানি এবং এটা ছিল তাঁর তৃতীয় টার্ম। বিজেপির ভোট বহুদিন ধরেই ২৫/২৭/২৩% এর মধ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল আর মনে হচ্ছিল বিজেপির ঐ অসম্ভব হিন্দুত্বের ইমেজ মানুষ মেনে নিচ্ছে না, আর সেই সময়ে বিজেপির সেই হিন্দুত্বের অবতার ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানি। তো তিনি মনে করেছিলেন তাঁর ঐ কড়া হিন্দুত্বের ইমেজটাকে একটু উদার করাটা প্রয়োজনীয়, কারণ ২০০৯ তে তো তাঁকেই লড়তে হবে এন ডি এর নেতা হিসেবে, তিনি সেই সময়ে পাকিস্তানে গেলেন, আদতে করাচীর বাসিন্দা পাকিস্তানে গিয়ে জিন্নার মাজার এ জিন্না মেমোরিয়ালে লিখে এলেন জিন্না একজন সেকুলার নেতা ছিলেন, হিন্দু – মুসলমান ঐক্যের প্রতীক ছিলেন। কতটা বিশ্বাস করতেন? কিসের ভিত্তিতে বলেছিলেন? যেখানে কংগ্রেস পর্যন্ত জিন্না কে কমিউনাল নেতা বলতো সেখানে উনি কেন ওই কথাগুলো বললেন? তার কারণ একেবারে ছিলনা তাও নয়, কিন্তু সে অন্য ব্যাখ্যা, তিনি ওই কথাগুলো লিখলেন, আর মুহূর্তের মধ্যে শুরু হল সমালোচনা, দলের মধ্যে দলের বাইরে, সাঙ্ঘাতিক সমালোচনা। আরএসএস থেকে জানানো হল এটা আদবানির ব্যক্তিগত মন্তব্য, আর এস এস এমনটা মনে করে না। ফিরে আসার পরে আদবানিকে দলের সভাপতিত্ব ছাড়তে হয়েছিল। ২০০৯ এ আর এস এস এর এক বড় অংশ নির্বাচনের থেকে দূরে থেকেছিল কারণ সেবারে উনিই ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ, এবং ফলাফল? আরও কমেছিল বিজেপির আসন। ১৩৮ থেকে ১১৬ তে নেমে এসেছিল, হিন্দি গোবলয়ে ১৫ তা আসন কমেছিল বিজেপির, ইউপিএ র বিরুদ্ধে ৫ বছরের অ্যান্টিইনকমব্যান্সি থাকার পরেও। হ্যাঁ ২০১৪ তে আদবানিকে সরিয়ে দেওয়া হয় কেবল নয়, আর এসএসএর নির্দেশে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় মার্গ দর্শক মন্ডলীতে।

হ্যাঁ আর এস এস এর কন্ট্রোল এতটাই, কারণ আর এস এস এর বিভিন্ন শাখাসংগঠনের সারা বছর জুড়ে কাজের ফলেই বিজেপির জনসমর্থন বাড়ে, তারা হাত তুলে নিলে কী হয় সেটা ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন বলে দেয়।
এবারে সেই আর এসএসএর মধ্যে মোদি বিরোধী হাওয়া প্রবল। একদিকে জেনারেল নারভানের বই, যা বুঝিয়ে দেয় যে মোদিজী আদতে এক জঙ্গি জাতীয়তাবাদীর মুখোশ পরে থাকলেও অসম্ভব ভিতু, ওধারে এপস্টিন ফাইল, ক্রমাগত কেচ্ছা বার করেই চলেছে, সে কেচ্ছাতে মোদিজী, বা মোদি ঘনিষ্ঠদের নাম এসে গেছে আর তিন নম্বর হলো ট্রেড ডিল যা নাকি ভারতের স্বার্থ বিরোধী। হ্যাঁ আর এস এস এর মধ্যে এই প্রশ্নগুলো উঠেছে আর চর্চা চলছে, আর এস এস এর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন ৩০ ট্রিলিয়ন ইকনমির জন্যও দেশের আদত কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যায় না। হ্যাঁ নাগপুরে হাওয়া গরম, বেসুরে বাজছে দিশা নির্ধারণকারী সংগঠন। একদিকে এপস্টিন ফাইল অন্যদিকে জেনারেল নারাভানের বই, আমাদের মোদিজি এখন ভারী অব্যবস্থায় আছেন, কতটা বিচলিত? সংসদে লোকসভার স্পিকার নাকি গোপন সূত্রে জেনেছিলেন যে উনি সংসদে আসলে ওনাকে শারিরীকভাবে হেনস্থা করবে বিরোধী সাংসদেরা, তাই নাকি তিনি নিজেই মোদিজীকে বলেই দিয়েছিলেন আপনাকে আগামীকাল আর আসতে হবে না, মানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা ছাড়াই রাষ্ট্রপতির ভাষণ পাশ করাতে হলো মোদি সরকারকে। চোখ বুঝে একটু ভাবুন, ক্ষণে ক্ষণে ৫৬ ইঞ্চি শিনাওয়ালা বলে গর্ব করতে থাকা এক আদ্যন্ত ভীতুর ডিম, সংসদে বিরোধীদের হাতে হ্যাকল হতে পারেন জেনে সংসদেই এলেন না। ইন্দিরা গান্ধীর একটা ছবি দেখেছিলাম সেই জরুরি অবস্থার সময়ে তিনি মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন, জে এন ইউর ছাত্ররা ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে আর তখনকার এস এফ আই ছাত্র নেতা সীতারাম ইয়েচুরি ছাত্রদের ডেপুটেশন পড়ে শোনাচ্ছেন, ইন্দিরা গান্ধী মন দিয়ে শুনছেন। হ্যাঁ এটাকে বলে সাহস, এটাকে বলে চওড়া বুক আর মাথা। দেশের বহু নেতাকে আমরা দেখেছি এই মাথা উঁচু করে চলতে, সময় মত নিজের মাথা সোজা রেখে সমস্যার মুখোমুখি হতে। মোদিজী সেখানে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। খেয়াল করে দেখুন সেই শুরু থেকেই যেই সমস্যাতে পড়েন, কথা বলা বন্ধ করেন, বাকি সময়ে মুখে খই ফুটছে, বাকি সময়ে বক্তিয়ার খিলজি কিন্তু যেই চাপ আসে অমনি বোবা মেরে যান, আসলে ভয় পেয়ে যান, কী করা উচিত তাই বুঝে উঠতে পারেন না। আজ নয় ওনার রাজনৈতিক জীবন জুড়ে সে কথা সবাই জানেন। তখন উনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীও নন, দলের নেতা হিসেবে বলেছিলেন শ্রীনগরের লাল চকে পতাকা তুলবেন, প্রচুর চিৎকার চ্যাঁচামেচি করে কিছু সঙ্গিসাথীকে নিয়ে গিয়েওছিলেন লালচকে, হঠাৎ খবর আসে জঙ্গিরা রকেট ছুঁড়তে পারে, সেই ভিডিও আছে নেট এ দেখে নেবেন, কতটা ভীত সন্ত্রস্ত মোদিজী কোনওরকমে সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।

আরও পড়ুন:Fourth Pillar | বিজেপির নতুন সভাপতি নীতিন নবীন কি আরেকজন কাঠপুতুল?

গুজরাটে থাকা কালীন একবার রাস্তায় গাড়ির টায়ার ফেটেছিল, উনি সেন্ট্রি ডেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন ওনার মনে হয়েছিল গোলাগুলি চলছে, সে নিয়ে গুজরাট পুলিশ মহলে বিরাট হাসাহাসিও হয়েছিল। আর এই ভয় পাওয়াটা আদতে তাঁর গুরুদেবের উত্তরাধিকার। হ্যাঁ ওনার গুরুদেব ভিনায়ক দামোদর সাভারকার, প্রথম জীবনে বিপ্লবী ছিলেন, গান্ধিজীর সঙ্গে মতে মিলতো না, সে তো অনেকেরই মেলেনি, তিনি তাঁর সেই রাজনৈতিক জীবনের শুরুয়াতি দিনেই লিখেছিলেন সিপাহী বিদ্রোহের ইতিহাস আর কার্ল মার্ক্স এর পরে সেই সময়ে তাঁর লেখা ছাপা হয়ে এসেছিল যাতে তিনি সিপাহী বিদ্রোহ কে দেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলেছিলেন। মারাঠি ভাষায় সেই বই বহু ভাষাতে অনুবাদও হয়েছে, যেখানে সিপাহী বিদ্রোহে কীভাবে হিন্দু মুসলমান একসঙ্গে লড়ছেন, তাঁদের মাথায় বাহাদুর শাহ জাফর, মোগল সম্রাট, সেসব ইতিহাস সেই বইতে আছে। তারপর সেখান থেকে তিনি কিছু অস্ত্র পাঠিয়েছিলেন যা দিয়ে ইংরেজ সাহেব কে হত্যা করা হয় এবং সূত্র ধরে তাঁর কাছে পৌঁছে যায় গোয়েন্দ পুলিশ, তাঁকে ধরে নিয়ে আসার সময় ফ্রান্সের মার্সেইলস বন্দরে তিনি লাফ মেরে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, ধরা পড়ে যান, এই পালানোর চেষ্টাকে অবশ্য পরে এক বিরাট অদম্য সাহস হিসেবে দেখানো হয়েছে কিন্তু ইতিহাস বলছে ওটা ছিল এক অপরিকল্পিত বোকামি। যাকগে সেই মামলা বিচারের পরে তাঁকে কালাপানির সাজা দেওয়া হয় মানে আন্দামানে সেলুলার জেলে পাঠানো হয়, ব্যস, ওনার আসলি চেহারা বাইরে চলে এলো, উনি ক্ষমা চাইতে থাকলেন একবার নয় বার বার, সে আবার যেমন তেমন ক্ষমা নয়, ব্রিটিশ রাজ এর কাছে সেসব ক্ষমা প্রার্থনার চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন যে তিনি এক বিপথে চলে যাওয়া সন্তান হিসেবেই ক্ষমা চাইছেন আর তাঁকে যদি ক্ষমা করা হয় তাহলে তিনি আরও যেসব বিপথে যাওয়া সন্তানেরা আছেন, তাদেরকেও পথে ফেরাবেন মানে ব্রিটিশ বিরোধিতা থেকে সরিয়ে নিয়ে আসবেন, একবার নয় সাত সাত টা চিঠি লিখে ফেললেন এবং শেষ মেষ তাঁকে ছাড়া হল, হ্যাঁ তারপর থেকে তিনি ব্রিটিশদের দেওয়া এক মাসোহারা, যা তখনকার দিনে বিরাট অ্যামাউন্ট, পেতেন আর অক্ষরে অক্ষরে ব্রিটিশদের দেওয়া কথা পালন করেছেন এর পর থেকে তিনি একবারের জন্যও ব্রিটিশ বিরোধিতা করেন নি। সেই সাভারকার এর উত্তরাধিকারি, আর এস এস এর একদা প্রচারক এক চুড়ান্ত মিথ্যেবাদি অশিক্ষিত নরেন্দ্র মোদি ভিতুও বটে, সমস্যার মুখোমুখি হতে ওনার দম ফেটে যায়, আরও কত কি যে ফাটে কে জানে। ধরুন নোটবন্দি, ছ্যাবলাদের মত তালি বাজিয়ে জানিয়ে দিলেন ৫০০ হাজারের নোট শেষ, কালাধন বার করার জন্য তিনি নতুন নোট চালু করছেন, সামান্য শিক্ষিতরাও কেঁপে উঠলেন আর উনি কদিন পরেই বক্তৃতা দিলেন আমাকে ৫০ দিন সময় দিন ৫০ দিন পরে যদি ভাল ফল না দেখতে পান তাহলে তাকে নাকি চৌরাহা পর খড়া করকে জ্বলা দেনা, কী আশ্চর্য, মধ্যযুগীয় কথাবার্তা। কিন্তু তারপরে, নোটবন্দী এক বিরাট ফ্লপ, ওনার মুখে কোনও কথা দেখেছেন? একটা কথাও নেই। পুলুওয়ামাতে আমাদের জওয়ানরা শহীদ হলো, এক এক কর চুনকে মারেঙ্গে বলে বালাকোট সার্জিকাল স্ট্রাইক চালিয়ে জঙ্গিদের ঘাঁটি নাকি নিশ্চিহ্ন করে দিলেন। কিন্তু সেই পুলওয়ামাতে আসলে কী হয়েছিল, আজও কেউ জানতেই পারলো না। তারপরে আবার জানা গেল জঙ্গি ঘাঁটি আছে, তাদের জঙ্গী হানায় বৈসরণ ভ্যালিতে সিভিলিয়ানরা মারা গেল, তারা বেড়াতে গিয়েছিল।

এবারে অপারেশন সিন্দুর। যুদ্ধ নাকি জিতেই গেছে, পাকিস্তান নাকি হাঁটি গেড়ে বসে পড়েছে, এবার মানুষ ভাবছে তাহলে পাক অকুপায়েড কাশ্মীর তো আমাদের হাতে, কিন্তু না সিজ ফায়ার হলো, আর সেটা আমরা জানলাম কীভাবে? আমেরিকার প্রেসিডেন্টের টুইটে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন আমার নির্দেশেই সিজ ফায়ার হয়েছে, পাকিস্তানের রাষ্ট্র প্রধান হেঁহেঁ করে সায় দিলেন, আমাদের মোদিজী? মুখে একটা কথা নেই। চুপ করে বসে রইলেন। চীন কামান নিয়ে ঢুকে পড়ছে, আমাদের ভূখন্ড দখল করছে, ওনার হাত পেটের ভেতরে সেঁধিয়ে গেছে, মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছেনা ৫৬ ইঞ্চি নাকি ওনার সিনা, দায় ঝেড়ে দিয়ে বলছেন যা উচিত মনে হয় করো। আর সেই কথা বেরিয়ে আসার পরে দাঁড়ান সোজা হয়ে বলুন যে আমি এটা বলিনি, সেই সময়ের সেনাপ্রধান নারাভানে মিথ্যে বলছেন, না সেটা বলারও ধক নেই কারণ সে সব তো রেকর্ডেড, সেই ইতিহাস তো লেখা হয়ে গেছে সাভারকারের ক্ষমাপত্রের মতো। আমেরিকা একতরফা ট্যারিফ চাপালো, পেনাল্টি ট্যারিফ চাপালো, তিনি তাঁর মাই ডিয়ার দোলান্দ ট্রাম্প কে কিছুই বললেন না ইন ফ্যাক্ট ট্যারিফ নিয়ে একটা কথাও বললেন না, হঠাৎ আমরা ওই ট্রাম্পের টুইটে জানতে পারলাম যে ট্যারিফ কমে ১৮ % হয়ে গেছে আর তা এক দেড় সপ্তাহের মধ্যে লাগু হচ্ছে , গোটা ট্রেড ডিলে কী আছে এখনও দেশ জানে না, সংসদ জানে না। ট্রাম্প সাহেব জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত হল ভারতকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের জিনিষ কিনতেই হবে। কী কিনবে? অন্য অনেক কিছুর মধ্যে কৃষিজ বস্তু, মানে বাদাম ফল, সবজি, ডেয়ারি প্রডাক্ট, মিট বা ফিস ইত্যাদি। হ্যাঁ আমাদের এগ্রিকালচার সেক্টর কে সুরক্ষিত রাখতে হবে বলেই এই দরজা আগে খোলা হয়নি, এবারে এই দরজা খুলতেই হবে, খুলবেই, মিলিয়ে নেবেন। শর্ত এখানেই শেষ নয়, সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারত আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনতে পারবে না, তাকে আমেরিকান অয়েল, ভেনিজুয়েলান অয়েল কিনতে হবে। এক স্বাধীন দেশ, কার কাছ থেকে কী কিনবে, সেটা অন্য দেশের প্রেসিডেন্ট কেবল ঠিক করছে না, আগাম ঘোষণা করে জানিয়েও দিচ্ছেন। আর আমাদের ৫৬ ইঞ্চির উনিজী এই বাণিজ্য চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। হ্যাঁ আর এস এস এর মধ্যেই এ নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে, নাগপুরে যে চর্চা শুরু হয়েছে তাতে সত্যিই কৃষিক্ষেত্রের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে এমন কোনও ইস্যুতে আবার দেশজোড়া কৃষক আন্দোলন গড়ে উঠলে, মোদিজীর মাজপথেই গদি ছেড়ে চলে যাওয়াটা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই আর সেটা তো তিনি যেতেই পারেন, সেই কবেই তো বলে রেখেছেন হম তো ঝোলা লেকে চল পড়েঙ্গে, হ্যাঁ সেই ঝোলা কাঁধে চলে যাবার সময়টা এগিয়ে এসেছে।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS