ওয়েবডেস্ক- এসআইআর (SIR) নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যে বাংলায় ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা (Draft List) প্রকাশ করেছে কমিশন (Election Commission) । যাদের নাম নেই সেই তালিকায় এবার তাদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। ২৩ ডিসেম্বর থেকে হিয়ারিং (Hearing) শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত তালিকা ১৪ ফেব্রুয়ারি। এখন এই হিয়ারিং নিয়ে একগুচ্ছ বিভ্রান্তি মানুষের মধ্যে দানা বেঁধেছে। কিভাবে শুরু হিয়ারিং, কবে, কোথায় যেতে হবে? কী কী প্রশ্ন থাকবে সেখানে? যারা রাজ্যের বাইরে তাদেরই বা কী হবে? প্রবীণ, বৃদ্ধ মানুষদের কী হবে?
কমিশন সূত্রে খবর- তিনভাগে ভোটার তালিকার ম্যাপিং করা হয়েছে। ১) প্রোজেনি ম্যাপিং, ২) সেল্ফ ম্যাপিং ৩) নো ম্যাপিং।
‘নো ম্যাপিং’ অর্থাৎ যেসব ভোটার তার নিজের বা নিকট আত্মীয় কারও নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ম্যাচ করাতে পারেনি কমিশন তাদের শুনাতিতে ডাক পড়বে। এই রকম ভোটারের সংখ্যা ৩০ লক্ষ। তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। কমিশনের দাবি প্রায়, ১ কোটি ৬৭ লক্ষ ভোটারের দেওয়া তথ্যে অসঙ্গতি মিলেছে।
এসআইআর খসড়া তালিকায় যাদের নাম ওঠেনি, তারা কী করব?
নির্বাচন কমিশন বলছে, FORM 6 ফিলআপ করতে হবে। সঙ্গে annexure 4 জমা দিতে হবে।
শুনানি কোথায় হবে?
যে ভাবে এনুমারেশন ফর্ম বিএলও বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়েছিলেন, এখানেও বিএলও বাড়িতে যাবেন। ERO-র সই করা নোটিস BLO পৌঁছে দেবেন। সেখানে শুনানির নির্দিষ্ট দিন, নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট স্থান সব লেখা থাকবে।
আরও পড়ুন- আজ থেকে হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো শুরু করল কমিশন
যারা রাজ্যের বাইরে আছেন তারা কী করবেন?
রাজ্যের বাইরে ছেলে-মেয়ে রয়েছেন, এক্ষেত্রে তাদের হয়ে হিয়ারিংয়ে যেতে পারবেন তাঁর বাবা-মা। এই বিষয়টা নিয়ে নির্বাচন কমিশন SOP তৈরি করবে।
অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে শুনানির দিন যেতে না পারলে?
ERO-র কাছে আবেদন জানাতে হবে। প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে, মা-বাবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বয়সের ফারাক ১৫ বছরেরও কম, এরকম ভোটারের সংখ্যা ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৮১। মা-বাবার সঙ্গে বয়সের ফারাক ৫০ বছরের বেশি, এমন ভোটারের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৭৫। দাদু ঠাকুমার সঙ্গে ভোটারের বয়সের পার্থক্য ৪০ বছরেরও কম, এই ধরনের ভোটার রয়েছে ৩ লক্ষ ১১ হাজার ৮১১। এখন এদের মধ্যে কাদের শুনানিতে ডাকা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ERO।
খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও কী ডাকা হতে পারে শুনানিতে?
নো ম্যাপিং তালিকাভুক্ত ভোটার ছাড়াও কমিশনের নজরে আরও ১ কোটিরও বেশি সংখ্যক ভোটার। এই তালিকায় রয়েছে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটার। যাদের নাম খসড়া তালিকায় থাকলেও তারা এনুমারেশন ফর্মে যে সমস্ত তথ্য দিয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই সমস্ত ভোটারদের প্রথমে বিএলও তথ্য যাচাই করবেন। সেই তথ্য যাচাই করার পরেও সন্দেহ থাকলে, শুধুমাত্র তাদেরই শুনানিতে ডাকা হবে।
শুনানির দিন যদি কেউ উপস্থিত থাকতে না পারে?
শুনানির দিন যদি কোনও ভোটার উপস্থিত না থাকে, তাহলে বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে দেওয়া হবে অতিরিক্ত দিন। যাদের বয়স ৮৫ পার করেছে, তাদের শুনানি হবে বাড়িতেই।
দেখুন আরও খবর
–







