বর্ধমান: SIR-এ হয়রানির (SIR Harassment) অভিযোগে বর্ধমান স্টেশনে (Barddhaman Junction Railway Station) বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তার জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। শনিবার দুপুরে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে রেল লাইনের উপরে বসে পড়েন তাঁরা। শুয়েও পড়েন অনেকে। বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এর ফলে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। এমনকি চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় নিত্য যাত্রীদের।
রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআরের শুনানি (SIR Hearing)। তবে সেই শুনানিকে কেন্দ্র করে এবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানে। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় হয়রানির অভিযোগ। বারবার ডেকে হয়রানি করা হচ্ছে! এই অভিযোগ তুলে বর্ধমান স্টেশনে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। শনিবার লাইনে বসে রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে রেল লাইনে শুয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীদের একাংশ। স্টেশনের ভিতর বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্টেশনের প্রবেশপথে ব্যারিকেড তৈরি করে আরপিএফ (RPF)। আন্দোলনকারীদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়।
পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই ব্যারিকেড ভেঙে স্টেশনের ভেতরে ঢুকে পড়েন আন্দোলনকারীরা। আরপিএফ-এর সাথে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি চলে তাঁদের। ধুন্ধুমার বাধে। লাইনে নেমে শুয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন আটকে পড়ে। আধ ঘণ্টার উপরের বেশি সময় কয়েকটি ট্রেন আটকে থাকে। এখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে রেল।
আরও পড়ুন:গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে হামলা, ভাঙড়ে ব্যাপক উত্তেজনা!
অভিযোগ উঠছে, ২০০২ সালের আগেও যারা ভোট দিয়েছেন, এমনকি যাদের নাম ২০০২ এর লিস্টে ছিল, তাদেরকেও নতুন করে হিয়ারিং এর জন্য ডাকা হচ্ছে। যারা নিয়মিত ভোট দিয়ে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা অপমানজনক। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, “আমরা স্থানীয় বাসিন্দা। বাংলাদেশি ধরার নামে, আমাদের হেনস্তা করা হচ্ছে কেন? বারবার একই কাজ করতে হচ্ছে। আমরা এসব মেনে নেব না।”একযাত্রী এসআইআর হেনস্তার অভিযোগকে সমর্থন জানালেও,রেল অবরোধের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ও শুনানি কেন্দ্রে ভোটারদের হেনস্তার অভিযোগে বিক্ষোভ প্রতিবাদ হয়েছে। ফরাক্কা, চাকুলিয়া-সহ বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে।







