মালদহ: এসআইআর শুনানি (SIR Hearing) কেন্দ্রে দুই তৃণমূল নেতার বচসা। একে অপরের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করতেও দেখা গেল। শুধু কী তাই একে অপরকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয়। মালদহের রতুয়া (Maldah Ratua) ১ নম্বর ব্লকের ঘটনা। এই দুই নেতার প্রকাশ্যে বচসা ও বাকবিতন্ডা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। গোটা ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করছে বিজেপির।
মালদহের রতুয়া (Maldah Ratua) ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আমিরউদ্দিনের অভিযোগ, এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন। তিনি যেমন রতুয়া দুই নম্বর ব্লকে ঘুরে দেখেছেন পাশাপাশি গত ২১ তারিখ তিনি রতুয়া এক নম্বর ব্লকে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন এসআইআর এর কাজ ধীরে তালে হচ্ছে। মানুষকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে হেনস্থা হতে হচ্ছে। আর এই নিয়ে তিনি প্রতিবাদ করেন। আর ঠিক সময় তার দলেরই আরেক নেতা শেখ মিনু তিনি রতুয়া ১ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মদক্ষ তার দিকে ছুটে আসেন। তাকে অসভ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দেন। সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। তিনি তিনি এর প্রতিবাদ করেন।
অন্যদিকে অন্য তৃণমূল নেতা তথা রতুয়া এক পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শেখ মিনু দাবি, রতুয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হঠাৎ নিজের ২ নম্বর ব্লক ছেড়ে ১ নম্বর ব্লকে এসে সাধারণ মানুষকে অশান্তি করার জন্য উস্কানি দিচ্ছিলেন। তিনি তার প্রতিবাদ করেছেন। আসলে, রতুয়া ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির এখন রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছা হয়েছে। আর সেই কারণে ১ নম্বর ব্লকে এসে এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছিলেন। তিনি এর প্রতিবাদ করেছিলেন।এদিকে এই দুই নেতার প্রকাশ্যে বচসা ও বাকবিতন্ডা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। আর এই ভিডিও আসতে তৃণমূলের মধ্যে যে চরম গোষ্ঠী কোন দল রয়েছে তারই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে।
শাসক দলকে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির, বিজেপি উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সিংহানিয়া বলেন, তৃণমূল একটা উচ্ছৃঙ্খল দল। এসআইআর কেন্দ্র সামনে দুই নেতা একে অপরকে গালাগালি দিচ্ছেন। মারামারি করতে উঠছেন। এরা একে অপরকে মানে না। এখন রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে মারামারি লেগেছে প্রার্থী হওয়ারর জন্য, তাই এসব হচ্ছে।এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। এটা আমরা বুঝে নেব। তবে, বিরোধীদের এনি উল্লেখিত হওয়ার কিছু নেই। তবে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশীষ কুন্ডুর।







