বাংলার নির্বাচন নিয়ে বাজার সরগরম, কিন্তু দেশের রাজনীতিও থেমে নেই, সেখানেও হলচল। সেলিমের দেঁতো হাসি যেমন প্রতিকুরকে দলে ধরে রাখতে পারে না, ঠিক তেমনই রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi) অমন সপ্রতিভ আলোচনা আর ভাবভঙ্গী দিয়ে দল কে জুড়ে রাখতে পারছে না। অসমের বড় নেতা বিজেপিতে চলে গেল, কোনও ভাবে থেকে গেলেন শশী থারুর, থাকলেন কারণ ওনার আর তেমন নতুন করে বিরাট কিছু পাওয়ার নেই, আর এতদিন আদর্শ ইত্যাদির কথা বলেই ল্যুটেন্স দিল্লির ডার্লিং শশী থারুর শেষমেষ কংগ্রেসেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ওদিকে ডি কে শিবকুমার, কর্ণাটকের এক নম্বর কংগ্রেস নেতা নড়বড় করছে তাঁর উইকেট। আর টিম রাহুল? সে তো কবেই উধাও, ভ্যানিস হয়ে গেছে। আর ইন্ডিয়া জোট নিয়ে ওই সংসদের অধিবেশন ছাড়া কোনও কথাই হয় না, একটা বিরোধী জোট যা দেখে প্রাথমিকভাবে ঘাবড়ে গিয়েছিল আর এস এস – বিজেপি সেই দল এখন নিজেদের সেফ মনে করছে, কারণ হেডলেশ চিকেনে এর মত ইন্ডিয়া জোট (Indian Alliance) ঘুরে বেড়াচ্ছে, অনাথ শিশুর মত। ঠিক সেই সময়ে শিবসেনা ইউবিটি দাবি করলেন মমতা দিদি কে চাই ইন্ডিয়া জোটের মাথায়। তার আগে অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) সস্ত্রীক নবান্ন ঘুরে গেছেন, তিনি তো কেবল ফিস ফ্রাই খাবার জন্য আসেন নি। কাজেই এসেছিলেন। ওদিকে একদা মনমোহন সিং এর উপদেষ্টা কলাম লিখে জানাচ্ছেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হতে পারেন পরবর্তি প্রধানমন্ত্রী। হ্যাঁ ক্ষমতার করিডোরে কুছ তো পক রহা হ্যায়। কংগ্রেস সর্বভারতীয় দল, এই মুহুর্তে ৯৯ জন লোকসভার সাংসদ আছে, হাতে কর্ণাটক আছে, তেলেঙ্গানা আছে, হয়ত কেরালাও আসবে, জোটে আছেন তামিলনাড়ু আর ঝাড়খন্ডে, একক ক্ষমতায় আছেন হিমাচল প্রদেশেও। কিন্তু সারা দেশ জুড়ে বিরোধীদের নিয়ে রাস্তাতে নেমে এক বড় প্রতিরোধ গড়ে তোলার বদলে কেবল সংসদের ভেতরেই আছেন রাহুল গান্ধী, অপেক্ষা করছেন আবার নির্বাচনের আগে যাত্রায় নামবেন, এবারে হয় তো উত্তর থেকে দক্ষিণে আর পশ্চিম থেকে পূবে। আসলে মোদিজীর সঙ্গে লড়াইটা একটা স্ট্রিট ফাইট হতে হবে, রাস্তায় নেমে লড়াই, যে লড়াই দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে আছে সবার সেই প্রবল কংগ্রেস বিরোধিতার দিনগুলোতে দেশের লিবারাল ডেমোক্রাট, বাম বুদ্ধিজীবিরা তো বটেই, জ্যোতি বসুর মধ্যেই সেই মসিহাকে খুঁজে পেয়েছিলেন। যাঁর শাসনে আনন্দবাজারের মত খবরের কাগজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেই কাগজ দফতর খোলার দাবিতে মিছিলে সিপিএম ক্যাডার বাহিনী লাঠি চালিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেবার পরেও চুপ করে দেখেছিল পুলিশ, যাঁর শাসন আমলেই একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে, বাংলার শহর গ্রামে এক পার্টি তন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, বিদ্যুৎ থেকে শিল্প এক কংকালসার অবস্থায় গিয়েছিল, তিনিই কিন্তু সারা দেশে কংগ্রেস বিরোধিতার, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার, কংগ্রেসের স্বৈরাচার বিরোধিতার এক ভরসাযোগ্য মুখ হয়ে উঠেছিলেন।
আবার সেই তিনিই বিজেপির উথ্বানের বিপক্ষে বাম গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠতে সময় নেন নি, সেদিন বিজেপির বিরুদ্ধে দেশজোড়া কোয়ালিশনের বিশ্বসযোগ্য মুখও ছিলেন এই জ্যোতি বসুই, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার কথা হল, কিন্তু সেদিন কারাত অ্যান্ড কোম্পানির বিপ্লবী সিদ্ধান্তের ফলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারলেন না, সে কথায় পরে আসবো, যেদিন দ্বিতীয়বারের জন্য সিপিএম এর কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়ে দিল জ্যোতি বসুর দল তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করতে চান না, সেদিন দিল্লিতে দলের দফতরের সামনে বাম বুদ্ধিজীবিদের হুজ হু রা দাঁড়িয়ে, চিৎকার করছিলেন, দেখার মত সেই দৃশ্য, সেই বাম বুদ্ধিজীবি যাঁরা এলিটও বটে, যাঁরা ভোটে দাঁড়ান না কিন্তু বিজেপির উথ্বানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভরসাযোগ্য মুখকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে না দেখতে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পর্যন্ত বঙ্গের ছোট সময়ের মুখ্যমন্ত্রীদের বাদ দিলে প্রত্যেকেই সেই অর্থে এলিট, উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে আসা, পরিবারের পরিচিতি আছে। হ্যাঁ বিধান রায় থেকে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় থেকে জ্যোতি বসু ছিলেন সেই গোত্রের। এরপরে এলে সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাইপো, না ইনি ধনী বা উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে আসেন নি বটে কিন্তু কবি সুকান্তের ভাইপো, প্রেসিডেন্সির ছাত্র, কবিতা নাটক লেখেন, এবং সেসব খুব বিরাট কোনও উচ্চ মানের না হলেও খারাপ নয়, আর সবচেয়ে বড় কথা তিনি বাংলার সেই সময়ের লেখক, গায়ক, অভিনেতা, কবি বুদ্ধিজীবিদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিলেন। আজকের শুভাপ্রসন্ন বা সুবোধ সরকার ইত্যাদিরা তো ওনার স্নেহধন্য বা বন্ধু স্থানীয় ছিলেন। সন্ধ্যে হলে ওনাকে নন্দনে পাওয়া যেত, কোট আনকোট অকমিউনিস্ট সুভাষ চক্রবর্তির উলটো শিবিরের, সব মিলিয়ে তিনি জ্যোতি বসুর মত এলিট ছিলেন না বটে কিন্তু বুদ্ধিজীবিদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিলেন। কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে? ভট্টাচারিয়া? উনকা পুরা নাম কেয়া হ্যায়? হ্যাঁ দিল্লির সিনিয়র জার্নালিস্ট এর মুখে শুনেছি। না তিনি দিল্লিতেই কলকে পাননি তো সারা দেশে দুরস্থান, ইংরিজিতে হোঁচট খেতেন যার ফলে জাতীয় মিডিয়াতেও তেমন জায়গা করে নিতে পারেন নি। তো মূলত তিনিই ছিলেন মোগল সাম্রাজ্যের আওরঙ্গজেবের মতই সবচেয়ে ক্ষমতাবান মুখ্যমন্ত্রী আর একই সঙ্গে বাম জামানার পতনের কারণ, হ্যাঁ ওনার ওই শিল্প গড়ার উদগ্রবাসনা বাম জামানা কে খুব দ্রুত পতনের দিকে নিয়ে গেল। তাঁকে সরিয়ে মমতা এলেন, সেটা হল বটে এক হ্যাঁচকা টানে, আর তাতে শহর কলকাতার বুদ্ধিজীবি ইত্যাদিদের বেশ খানিক ভূমিকাও ছিল, কিন্তু সম্বিত ফিরতেই সেই উন্নাসিক বুদ্ধিজীবীরা বুঝতে পারলেন আক্ষরিক অর্থেই এক বস্তি থেকে উঠে আসা স্ট্রিট ফাইটার এই মহিলার কিছুর সঙ্গেই ওনাদের যোগাযোগ নেই, তবুও কৃপাধন্য হয়ে থাকতে যাঁরা ভালো বাসেন তাঁরা জড় হয়েছিলেন তাঁর চার পাশে, তাঁরা থেকে গেলেন, একান্ত আড্ডা আলোচনাতে ওনার ইংরিজী, ওনার কবিতা, ওনার অসহিষ্ণুতা নিয়ে তামাশা চালিয়ে যেতে থাকলেন আর বামেদের মনে হল এ এক ফ্লুক এ এসে যাওয়া পরিবর্তন, গৌতম দেব জানিয়েই দিলেন মাত্র তো ক লক্ষ ভোটের ফারাক, ঘুরে দাঁড়াও কমরেড। কিন্তু ততদিনে বিজেপি এসে গেছে ক্ষমতায় আর রাজনীতির সমীকরণ বদলাতে শুরু করছে, কিন্তু তখনও সিপিএম কর্মীরা, বামফ্রন্ট এর ওর তার দুয়োরে মন বুঝতে যায়নি, যাবার মত অবস্থাও হয় নি, কিন্তু সেই ন্যানো কারখানা আর সিঙ্গুর নিয়ে, বা জমি অধিগ্রহণ নিয়ে তাঁদের সুইসাইডাল ডিসিশনগুলোর জন্য এই পতন তা বুঝতে পারেন নি, তখনও গায়ের থেকে ৩৪ বছরের অভ্যেসগুলোকে মুছে ফেলতে পারেন নি আর সবচেয়ে বড় কথা হল শেষ ১৫/২০ বছরের অসম্ভব পুলিশ প্রশাসন নির্ভর দল এক উলটো পুলিশ আর প্রশাসনের চাপে পড়ে দিশেহারা। কাজেই তাঁরা হারলেন, কিন্তু ক্যাডারদের তো বলাই হয়েছিল অষ্টম বাম সরকার এসেই গেছে প্রায়, কাজেই বহু জায়গাতে ভোটের আগে সেই কর্মীরা যাকে বলে বেড়ে খেলেছেন, কাজেই নির্বাচনের পরে শুরু হল ডি জে বাজানো, ইতিমধ্যে দিল্লিতে অমিত মিত্রের ধুতি খুলে দিয়েছে বাম ছাত্র যুবরা, সে বিক্ষোভে এখনকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিল, কাজেই পুলিশ প্রশাসন বিরুদ্ধে এদিকে তৃণমূলের হামলা সামলাতেই সেদিন সেই বামেরা ওই আগে রাম পরে বাম ইত্যাদি তত্ত্ব উঠে আসার আগেই বিজেপিতে ভিড়েছে, শেল্টার চাই, হেক্কড় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন মার খেলে মার দেবো। আর সেলিম সুজন ইত্যাদিরা মার্কসীয় আলোকে এই পরাজয়ের ব্যাখ্যাতে ব্যস্ত ছিলেন। কাজেই রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ বদলে গেল আর সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আবার এক শত্রুকে খুঁজে পেতে সাহায্য করলো। মমতা আউট অ্যান্ড আউট বিজেপি বিরোধিতায় নামলেন, এরপর থেকে ওনার সিপিএম বিরোধিতা ওই খানিজ চিমটি কাটা, নির্বাচনের আগে বার দুয়েক উল্লেখ আর নবান্নে ফিস ফিঙ্গারের মধ্যেই ধরে রাখলেন, কারণ বিজেপি বিরোধিতা ওনাকে এনে দেবে সাত রাজার ধন, সেটা তিনি সেদিনই বুঝেছেন, বুঝেছেন বিজেপির বা ওই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে এক বাইনারি তৈরি হলে বা করে নিতে পারলে ৩০ /৩২ পা এগিয়েই খেলাটা শুরু করতে পারবেন, হ্যাঁ ২০১৭ থেকে আজ অবদি মমতা এই রাজ্যে কেবল নয় সারা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই এর এক ভরসা যোগ্য মুখ।
আরও পড়ুন: Fourth Pillar | আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি, আজ না কাল ইউনুস সাহেবকে জবাবদিহি করতে হবে
রাজ্যে সিপিএম এর এক এবং একমাত্র শত্রু, বহু সিপিএম সমর্থকের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, বুঝেছি, তাঁরা মমতা হেরে বিজেপি এলে খুশিই হবেন, চাই কিমিষ্টিও বিলোতে পারেন। অন্যদিকে বিজেপি জানে যে এই মহিলা বা তাঁর বিজেপিকে টেক্কা দেবার বিশ্বাসযোগ্যতাই তাঁদের সামনে সবথেকে বড় সমস্যা, না এরকমটা ছিল না, বিজেপি তাঁদের রণনীতি হিসেবেই আঞ্চলিক দলকে সামনে রেখে কংগ্রেসকে হারাতে চেয়েছিল, কংগ্রেস যাবার অবস্থাতেই সিপিএম কেও এই মহিলাই সরাতে পারে তাই সেই কাজে খানিক আসকারা দেওয়াটা তাঁদের ধর্মের মধ্যেই পড়ে, কিন্তু এই মহিলা যে সব শক্তি নিয়ে তাঁদের মোকাবিলা করবেন বা করতে পারবেন সেই ধারণা কিন্তু বিজেপির ছিল না, পরে বুঝেছেন সিপিএম এর চেয়ে সহজ শত্রু ছিল কারণ সিপিএম এর লড়াই এর একতা ব্যকরণ আছে, এনার নেই, পার্সেপশন ব্যাটল এ মমতা বলে বলে তাঁদের ডজন খানেক গোল দিয়ে দেবেন এটা তাঁদের মাথাতেই ছিল না। এখন লড়াই বেঁজি আর সাপের, লড়াই শুম্ভ নিশুম্ভের মধ্যে কেউ নেই, হয় মমতা জিতবেন নাহলে বিজেপি জিতবে আর ঠিক এইখানেই নন এলিট, বস্তি এলাকা থেকে উঠে আসা, একবারও না থেমে তাঁর ইচ্ছেমত ব্যবকরণ ভাঙা ইংরিজিতেই আসল কথাটাকে বলে ফেলার ক্ষমতা, আর স্পিক ফ্রম হার্ট যাকে বলে, সেটাকে অস্ত্র করে ফেলা মমতা আজ সারা ভারতে লিবারাল ডেমোক্রাটদের কাছ থেকে সমীহ কেড়ে নিচ্ছেন, হ্যাঁ রাজ্যে এক অংশের বাম গণতান্ত্রিক এলিট বা নন এলিট বুদ্ধিজীবি আছেন, প্রেসিডেন্সি যাদবপুর বা স্কটিশ চার্চ থেকে পড়াশুনো করে বিভিন্ন চর্চাতে থাকেন, তাঁদের মধ্যেও এক বড় অংশ আছেন যাঁরা মনে করেন মমতাই পারেন বিজেপিকে ঠেকাতে, আর রাজ্যের বাইরে সেই সংখ্যাটা বিরাট, সেখানে এই মুহূর্তে বহু বহু লেখক, কবি, আর্টিস্ট, অভিনেতা, বুদ্ধিজীবিদের কাছে, বহু বিজেপি বিরোধী বুদ্ধিজীবিদের কাছে মমতা বিজেপি বিরোধী এক মুখ, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক্কেবারে মুখোমুখি টক্কর দেবার মত একজনই আছেন, তিনি মমতা, এ্টা তাঁদের বিশ্বাস। হ্যাঁ রাজ্যের দূর্নীতি আছে, দলের নেতা কর্মীদের হাইহ্যান্ডেডনেশ আছে, কিন্তু এক্কেবারে জ্যোতি বসুর মতই সারা দেশে একটা গ্রহণযোগ্যতা গড়ে উঠেছে ১) সেই মানুষজন মনে করেন উনিই নরেন্দ্র মোদির মুখোমুখি হতে পারবেন। ২) ঐ স্পিক ফ্রম হার্ট ব্যাপারটা বহুমানুষের কাছে ওনার বিশ্বাসযোগ্যতাকে বাড়িয়েছে। ৩) ২০১৯, ২০২১, ২০২৪ এর লড়াই এ তিনি তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক দক্ষতা প্রমাণ করেছেন কেবল নয়, বিজেপির এক বিরাট আক্রমণকে পরাস্ত করেছেন। ৩) তাঁর অভিজ্ঞতা, যা আজকে ভারতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের কোনও নেতারই নেই, কাজেই সে আপনি চান বা না চান, প্রতিটা কাজের পরে সেই চরম বিরোধীদেরও দেখি ওয়ান টু ওয়ান আলোচনায় বলতে শুনি উনি পারেন, আর ওনাকে মানায়। ঠিক এই কারণেই যত বাড়ছে মোদি – শাহের ফাসিবাদি আক্রমণ, যত কোনঠাসা হচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক শিবির, তত বেশি করে চাহিদা জন্ম নিচ্ছে তেমন একজনের যিনি একটা মুখোমুখি মোদিজীর সামনে দাঁড়াতে পারেন।







