ওয়েব ডেস্ক : এবার জলে ভাসতে চলেছে ভারতের পারমাণবিক তৃতীয় সাবমেরিন (Nuclear Submarine) । এর নাম হল ‘অরিদমন’ (INS Aridhaman)। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত মহাসাগরে যেভাবে শক্তি বৃদ্ধি করেছে চীন, তার জবাব হতে চলেছে এই শক্তিশালী সাবমেরিন। তবে এই প্রথম নয়। ভারতের (India) হাতে রয়েছে আরও দু’টি পারমাণবিক সাবমেরিন। সেগুলি হল ‘অরিহন্ত’ (Arihant) ও ‘অরিঘাত’ (Arighat)।
সাবমেরিনের দু’টি শ্রেণি রয়েছে। এর মধ্যে অন্তম হল এসএসবিএন বা ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’। এই সাবমেরিন চালিত হয় পরমাণু শক্তি দ্বারা (Nuclear Submarine)। শুধু তাই নয়, সাবমেরিন থেকে পারমাণবিক হামলা চালানোও যায়। বিশাখাপত্তনমের জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রে নির্মিত হয়েছে ভারতের পারমাণবিক তৃতীয় সাবমেরিন ‘অরিদমন’ (INS Aridhaman)। এই সাবমেরিনে থাকবে ভারতের বিভিন্ন ব্যালেস্টিক মিসাইল।
আরও খবর : রাজ্য ভাতা দিচ্ছে… ‘খয়রাতি রাজনীতি’ নিয়ে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের
বর্তমান যুদ্ধ রণকৌশল অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের সমস্ত পারমাণবিক পরিকাঠামো ধ্বংস করতে চায় অন্য কোনও পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। সেই জন্য বিকল্প পরিকাঠামো হাতে থাকা জরুরি। কারণ স্থলভাগে থাকা পারমাণবিক পরিকাঠামনোগুলিতে কেউ হমালা চালাতে পারলেও, সমুদ্রের তলায় লুকিয়ে থাকা পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতি করা প্রায় অসম্ভব। কারণ, পারমাণবিক সাবমেরিক কখন কোথায় লুকিয়ে থাকা তা প্রতিপক্ষের কাছে বুঝে ওঠা কঠিন।
এদিকে, ‘অরিদমন’কে নিয়ে ভারতের (India) হাতে মোট তিনটি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে। মূলত, ১৯৭১-এর যুদ্ধের পরেই এই ধরণের পারমাণবিক সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল ভারত। এর বহু বছর পর ২০১৬ সালে প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিহন্ত’ ভারতের হাতে আসে। তার পর ‘অরিঘাত’, এবার ‘অরিদমন’ কাজ শুরু করতে চলেছে। সূত্রের খবর, চসতি বছর আরও একটি পারমানবিক সাবমেরিন সমুদ্রে নামতে পারে।
দেখুন অন্য খবর :







