ওয়েব ডেস্ক: কলকাতায় ইতিহাস বদলে দিল টিম ইন্ডিয়া। ২০১৬-তে যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে ওয়াংখেড়েতে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল টিম ইডিয়ার, সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইডেন গার্ডেন্সে হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপের (ICC T20 World Cup 2026) সেমিফাইনালে পা রাখল দল। সঞ্জুর (Sanju Samson) দক্ষতায় ১৯৬ রান তাড়া করে রেকর্ড গড়ল ভারতীয় দল। দলকে জেতানোর পাশাপাশি স্যামসন এই ম্যাচে বিরাট, রোহিতের সঙ্গে এক ‘এলিট’ তালিকাতেও নিজের নাম তুলে নেন।
যদিও ম্যাচের (India Vs West Indies) আগে থেকেই ইতিহাস ছিল ভারতের বিপক্ষে। এর আগে টি-২০ বিশ্বকাপে কখনও ১৯৬ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতেনি। ইতিহাস বদলানোর চাপটা শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছিল অভিষেক শর্মার খেলায়। একজোড়া বাউন্ডারির মাধ্যমে ১০ রান করলেও অভিষেকের ব্যাট যে এই ম্যাচেও চলল না, তা একবাক্যে বলাই যায়। বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য ঈশানের ব্যাট থেকেও আসে মাত্র ১০ রান। অধিনায়ক সূর্যকুমারও শুরু করে ক্রিজে টিকতে পারলেন না। মাত্র ১৮ রানে জোসেফের শিকার হন তিনি।
আরও পড়ুন: অতলে FIFA বিশ্বকাপ? বয়কটের হুঁশিয়ারি ইরানের!
তবে সঞ্জু-তিলকের পর সঞ্জু-হার্দিকের জুটিতেই যে ভারতের বিজয়তিলক লেখা ছিল, সেটা স্পষ্ট হল ভারতের ইনিংসের একাদশ ওভার থেকে। যদিও সঞ্জু স্যামসনকে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল। প্রতিটা শট খেলছিলেন সপাটে। তাঁর অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস মনে রাখা হবে বহু বছর ধরে। এর পাশাপাশি হার্দিকের ১৭, শিবমের ৮ এবং তিলকের ২৭ রানের ইনিংসকেও ভুলবে না ভারতের ক্রিকেট মহল।
এদিন টসে জিতে এদিন বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শুরুর দিকে ভালো বোলিং করেও উইকেট আসছিল না। এর মাঝে সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন অভিষেক শর্মা। শেষমেশ ৬৮ রানে প্রথম উইকেট পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। হোপকে ৩২ রানে ফেরান বরুণ। এরপর দ্বিতীয় ধাক্কা দেন বুমরা। বিপজ্জনক হেটমায়ারকে মাত্র ২৭ রানে ফেরান তিনি। ১০৩ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে ক্যারিবিয়ানদের। চেজকেও আউট করেন বুমরা।
এক সময় মনে হচ্ছিল স্কোরবোর্ডে হয়তো বেশি রান করতে পারবে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শেষে হোল্ডার, পাওয়েলের জুটি সবটা বদলে দেয়। ২০ ওভারে শেষে স্কোরবোর্ডে ১৯৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোল্ডার করেন ৩৭, পাওয়েল করেন ৩৪ রান। ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে একজোড়া উইকেট নেন বুমরা, একটি করে উইকেট পানন বরুণ ও হার্দিক।
দেখুন আরও খবর:







