ওয়েব ডেস্ক: নিষিদ্ধ ‘ক্লাস্টার বম্ব’ মিসাইল (Cluster Bomb Missiles) ছুড়ছে ইরান। বিস্ফোরক অভিযোগ ইজরায়েলের। ইজরায়েলের (Israel Iran War) সঙ্গে সংঘাতে ‘ক্লাস্টার বম্ব’ ব্যবহার করছে ইরান (Israel Iran War)। তেল আভিভ লক্ষ্য করে এই মিসাইল হামলা চালানো হচ্ছে। এমনটাই দাবি করল ইজরায়েলি সেনা।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সামরিক সংঘাতে এই প্রথম ক্লাস্টার বোমার ব্যবহার করা হল। যদিও ইরান সেই দাবিকে খারিজ করেছে। প্রশ্ন, ইরান এই অস্ত্র পেল কোথা থেকে? সেই সূত্রেই জল্পনা, রাশিয়া এবং চিনই কি ইরানকে এই অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে? যদি তা-ই হয়, সেক্ষেত্রে আগামী দিনে এই ইরান বনাম আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের গতিপ্রকৃতিই বদলে যাবে।
ক্লাস্টার বোমা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। ইংরেজিতে ‘ক্লাস্টার’ শব্দের অর্থ ‘একগুচ্ছ।’ ক্লাস্টার বোমার মধ্যে আসলে থাকে একগুচ্ছ ছোট ছোট বোমা। ছোট, কিন্তু শক্তিশালী। একটি বড় ক্ষেপণাস্ত্রের মোড়কে ওই ছোট বোমাগুলি ভরা থাকে। উৎক্ষেপণের পর শূন্যেই খুলে যায় ক্লাস্টার বোমার অস্ত্র-মুখ। ভিতর থেকে ছোট ছোট বোমাগুলি বেরিয়ে আসে এবং বিস্তীর্ণ অংশে ছড়িয়ে পড়ে।ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান সদ্য যে ক্লাস্টার বম্ব মিসাইল ছুড়েছে, সেটির মুখ মাটি থেকে সাত কিলোমিটার উচ্চতায় খুলে গিয়েছিল। তা থেকেই বেরিয়ে এসেছে অন্তত ২০টি বোমা। গিয়ে পড়েছে তেল আভিভ এবং তার আশপাশের এলাকায়। তবে পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতে এই ধরনের বোমা ব্যবহারে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: আমেরিকার বিরুদ্ধে বিরাট সিদ্ধান্ত রাশিয়ার! এবার কী হবে?
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মত, ক্লাস্টার বোমার মধ্যে যে ছোট ছোট বোমাগুলি থাকে, একক বোমা হিসাবে তা খুব একটা ভয়ানক নয়। কিন্তু একসঙ্গে এতগুলি বোমা পড়লে ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশি। ইরানের অন্যান্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের চেয়েও এগুলি ভয়ানক।ইজরায়েলের বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ইরানকে এই অস্ত্র দিয়ে মদত জোগাচ্ছে চিন এবং রাশিয়া। যদিও চিন বা রাশিয়ার তরফে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে আইডিএফ-এর আন্তর্জাতিক মুখপাত্র তথা লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোসানি বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে ক্লাস্টার বোমা জুড়ে দিয়ে ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এবং ইচ্ছাকৃত ভাবেই এই বোমার ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও দাবি শোসানির।







