কলকাতা: ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) অভিনীত ‘কর্পূর’ (Korpur) ছবির মুক্তি নিয়ে জট কাটল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে আদালতের তরফে আপাতত আর কোনও বাধা রইল না ছবির মুক্তিতে। তবে নির্বাচন বিধি (Code of Conducts) জারি থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) উপর, এমনই মৌখিক মন্তব্য করেছে আদালত।
আবেদনকারী গোপাল সামন্ত দাবি করেছিলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকায় এই সময়ে ছবির মুক্তি ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ ছবিতে অভিনয় করেছেন ব্রাত্য বসু, যিনি বর্তমান নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। সেই যুক্তিতে অবিলম্বে ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার আর্জি জানানো হয়।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট টলি টেকনিশিয়ান্স, পরিবারের পাশে দেব, নিলেন খুদে সন্তানের দায়িত্ব
তবে আদালতে আবেদনকারীর অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন তোলে ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের বাইরে রায়পুরে বসবাসকারী একজন ব্যক্তির এই বিষয়ে মামলা করার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। বালি খাদান সংক্রান্ত পূর্ববর্তী এক মামলার রায়ের উল্লেখ করে আদালত জানায়, আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বাসিন্দা না হলে এ ধরনের জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। সেই যুক্তিতেই খারিজ করা হয় আবেদন।
অন্যদিকে আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, আবেদনকারী বাঙালি এবং কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁর আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। পাশাপাশি ২০১৯ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনের আগে প্রচারমূলক কনটেন্টে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করেছিল।
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত স্পষ্ট জানায়, এই মামলার কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তবে একই সঙ্গে উল্লেখ করে, নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দিষ্ট আইনের ভিত্তিতে প্রয়োজন মনে করলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে পারে। ফলে ‘কর্পূর’-এর মুক্তি নিয়ে এখন নজর কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই।‘কর্পূর’ মুক্তিতে আর আইনি বাধা নেই, তবে শেষ কথা বলবে নির্বাচন কমিশন—হাইকোর্ট
ব্রাত্য বসু অভিনীত ‘কর্পূর’ ছবির মুক্তি নিয়ে জট কাটল কলকাতা হাইকোর্টে। জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে আদালতের তরফে আপাতত আর কোনও বাধা রইল না ছবির মুক্তিতে। তবে নির্বাচন বিধি জারি থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উপর—এমনই মৌখিক মন্তব্য করেছে আদালত।
আবেদনকারী গোপাল সামন্ত দাবি করেছিলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকায় এই সময়ে ছবির মুক্তি ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ ছবিতে অভিনয় করেছেন ব্রাত্য বসু, যিনি বর্তমান নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। সেই যুক্তিতে অবিলম্বে ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার আর্জি জানানো হয়।
তবে আদালতে আবেদনকারীর অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন তোলে ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের বাইরে রায়পুরে বসবাসকারী একজন ব্যক্তির এই বিষয়ে মামলা করার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। বালি খাদান সংক্রান্ত পূর্ববর্তী এক মামলার রায়ের উল্লেখ করে আদালত জানায়, আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বাসিন্দা না হলে এ ধরনের জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। সেই যুক্তিতেই খারিজ করা হয় আবেদন।
অন্যদিকে আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, আবেদনকারী বাঙালি এবং কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁর আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। পাশাপাশি ২০১৯ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনের আগে প্রচারমূলক কনটেন্টে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করেছিল।
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত স্পষ্ট জানায়, এই মামলার কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তবে একই সঙ্গে উল্লেখ করে, নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দিষ্ট আইনের ভিত্তিতে প্রয়োজন মনে করলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে পারে। ফলে ‘কর্পূর’-এর মুক্তি নিয়ে এখন নজর কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই।







