ওয়েব ডেস্ক: ইরান (Iran) এবং আমেরিকার (USA) মধ্যে ঘোষিত দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির (Ceasefire) মেয়াদ শেষ হচ্ছে বুধবার। তবে তার আগেই আশার সুর শোনা গেল কূটনৈতিক মহলে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রাক্তন প্রধান ডেভিড এইচ পেট্রিয়াস জানিয়েছেন, দু’দেশই আলোচনায় আগ্রহী হওয়ায় যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ, এবার মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East War) দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ফেরার একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে ক্ষীণভাবে।
ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে প্রথম দফার বৈঠক হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। একাধিক ইস্যুতে মতপার্থক্যের জেরে আলোচনা ভেস্তে যায়। আমেরিকার দাবি, ইরান তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতেই বৈঠক এগোয়নি। অন্যদিকে ইরান পাল্টা অভিযোগ তোলে যে, আমেরিকার সদিচ্ছার অভাবেই আলোচনা অমীমাংসিত থেকে যায়। এই পরিস্থিতির জেরে ফের উত্তেজনা বেড়েছে দুই দেশের মধ্যে।
আরও পড়ুন: অ্যাপেলের সিইও পদ অবসর ঘোষণা টিম কুকের, নতুন CEO কে?
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে হরমুজ প্রণালী। গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথকে কেন্দ্র করে কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। যদিও বৈঠকের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ইরানের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, চাপের মুখে তারা আলোচনায় বসবে না। ফলে কূটনৈতিক মহলে আশার পারদ কিছুটা চড়লেও, যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিতই রয়েই গিয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







