Wednesday, July 22, 2026
HomeScrollপ্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগে নিয়ে জটিলতা! অধ্যাপক সংগঠনকে কী বলল হাইকোর্ট? দেখুন বড়...
Calcutta High Court

প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগে নিয়ে জটিলতা! অধ্যাপক সংগঠনকে কী বলল হাইকোর্ট? দেখুন বড় খবর

অবজারভাররা কখনই প্রিসাইডিং অফিসারদের বস হিসাবে কাজ করেন না, মন্তব্য বিচারপতির

[h_news]

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) ঘিরে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ (Presiding Officer Recruitment) নিয়ে সরকারি কলেজের অধ্যাপকদের একাংশের আপত্তি এবং সেই সংক্রান্ত আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেল। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজ করতে হবে, এই নির্দেশ বহাল থাকলেও, এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রথমে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি হয়। পরে বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি অজয় গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ বহাল রাখে। ফলে আপাতত বিষয়টি আইনি পর্যবেক্ষণের মধ্যেই রয়েছে।

মামলাকারী অধ্যাপক সংগঠনের দাবি, মোট ৩১৪ জন অধ্যাপকের মধ্যে ২১৫ জনকে ইতিমধ্যেই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, যা তাঁদের চাকরির নিয়মের পরিপন্থী। এই প্রেক্ষিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনজীবী অভ্রতোষ মজুমদার আদালতে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সার্কুলার চ্যালেঞ্জ করার অধিকার তাঁদের রয়েছে, কারণ এটি তাঁদের পরিষেবার শর্তের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এ বিষয়ে বিচারপতি শম্পা সরকার মন্তব্য করেন, নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত কর্তব্য, যা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে যে, কিছু শিক্ষক এই নিয়োগের বিরুদ্ধে মামলা করলেও তাঁদের একাংশ ইতিমধ্যেই কমিশনের নির্দেশ মেনে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: ডিউটিতে ফাঁকি, আড্ডায় ব্যস্ত! ‘হাইভোল্টেজ’ ভবানীপুরে ৩ ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাল কমিশন

ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানায়, গ্রুপ-এ অফিসারদের ক্ষেত্রে যেমন যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়া বুথের দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই অধ্যাপকদের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয়তা বিচার করা জরুরি। আদালত আরও জানায়, অবজারভার সাধারণত প্রশাসনিক স্তর থেকে নিয়োগ করা হয় এবং তাঁদের কাজ শুধুমাত্র পর্যবেক্ষণ করা- প্রিসাইডিং অফিসারদের উপর কোনও নিয়ন্ত্রণ বা নির্দেশ দেওয়া নয়। এছাড়া সেক্টর অফিসারদের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করে আদালত জানায়, তাঁদের কাজ মূলত তথ্য আদানপ্রদান করা। প্রিসাইডিং অফিসারের উপর তাঁদের কোনও কর্তৃত্ব নেই। ফলে স্টেনো বা ইন্সট্রাক্টরদের সেক্টর অফিসার হিসেবে নিয়োগ নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তা যথাযথভাবে বিবেচিত হয়নি বলে মত আদালতের।

আদালত আরও উল্লেখ করে, অতীতে কখনও কলেজ শিক্ষকদের অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। ফলে অবজারভার এবং প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বের মধ্যে কোনো ওভারল্যাপ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। সেই কারণে শিক্ষকদের এই পদে নিয়োগে আইনি বাধা নেই বলেও ইঙ্গিত দেয় আদালত। শেষে আদালত জানায়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে নির্বাচনে সরকারি কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ক্ষেত্রে সরকারি কলেজের অধ্যাপকরা রাজ্যের অধীনস্থ হওয়ায় তাঁদের এই দায়িত্ব পালন করা প্রাসঙ্গিক।

তবে নির্বাচন কমিশনের ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। কমিশন স্পষ্ট করে জানাতে পারেনি ঠিক কতজন শিক্ষককে প্রয়োজন। ভোটের মাত্র পাঁচ দিন আগে এ ধরনের হস্তক্ষেপ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot AMANAHTOTO slot gacor hari ini AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO kubet NKRISLOT garuda4d https://mybett188.com toto permata888 mataramtoto sumbartoto toto slot nobu99