ওয়েবডেস্ক- আজ ভোটের মহারণ! দ্বিতীয় দফার (Second Phase) নির্বাচন পর্বে ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রচার করার পর দাপিয়ে প্রচার করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো (Tmc Suprimo Mamata Banerjee)। রাজনৈতিক চাপানউতোর ছিল, সেইসঙ্গের এসআইআর-এর প্রক্রিয়া নিয়ে ডামাডোল।
প্রথম দফার পর আজ দ্বিতীয় দফার ভোট। বুধবার বিকেলে ভোট দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনে (Mitra Institution) ভোট দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি বলেন, তৃণমূলই (TMC) জিতছে। সিআরপিএফ (CRPF) আমাদের লোকজনদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। মমতা বলেন, তৃণমূল জিতেছে। সিআরপিএফ আমাদের লোকজনদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। বাচ্চাদের মেরেছে, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করেছে, তা ভাবতে পারবেন না। আমার পাড়ার লোক, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করছে, কী যে না করছে ওরা। এটা কী ওদের ডিউটি? ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, আমারবাগ, খানাকুল, গোঘাটেও অত্যাচার চালাচ্ছে। তৃণমূলই জিতেছে। বিজেপি হারছে, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে তৃণমূলের।”
উল্লেখ্য, ভোটের সকাল থেকেই আজ বুথে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। এইভাবে কী ভোট করানো হয়? ভোট তো গণতন্ত্রের উৎসব। বলেও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
৮২ নম্বর বুথে গিয়ে ভোটপর্বের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন তিনি, যদিও বুথের ভিতরে প্রবেশ করেননি, বাইরে থেকেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন। চেতলা, চক্রবেড়িয়ার বুথে বুথে ঘুরে দেখেন। চক্রবেড়িয়ার একটি বুথে বেশ কিছুক্ষণ বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”মনে রাখতে হবে, আমি কিন্তু এখনও চেয়ারে আছি।”
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, “রাতে আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এভাবে ভোট হয় না। এটা গণতন্ত্রের উৎসব, কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।” তিনি আরও জানান, তৃণমূল কর্মীরা কোনওভাবেই এলাকা ছাড়বেন না।
নিজের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল নেত্রী। বলেন, “আমি এখানে প্রার্থী হিসেবে বুথে বুথে ঘুরছি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়।” একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসুর বাড়িতে গভীর রাতে পৌঁছে তল্লাশি চালানো হয়, এমনকি তাঁর পরিবারের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।







