ওয়েব ডেস্ক : নর্দমার পাইপ বদলের কাজ করতে গিয়ে কার্যত গুপ্তধনের সন্ধান পেলেন বেলজিয়ামের এক ১৮ বছরের ছাত্র। সিন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ড এলাকায় মাটি খোঁড়ার সময় তাঁর নজরে আসে বেশ কিছু ধাতব বস্তু। পরে জানা যায়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে সোনার বার, সোনার মুদ্রা ও অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ।
উদ্ধার হওয়া সোনা ও মুদ্রার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ লক্ষ ইউরো। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৯৮ কোটি টাকা। গ্রীষ্মকালীন কর্মী হিসেবে নির্মাণকাজে যুক্ত ছিলেন কোবে নামে ওই ছাত্র। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন মাটির নীচে হয়তো সাধারণ ইউরোর কয়েন পড়ে রয়েছে। পরে সোনার বার দেখতে পেয়ে গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
আরও খবর : হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতে যাবেন না তারেক? দিল্লির কাছে বড় শর্ত বাংলাদেশের
তদন্তকারীদের অনুমান, একটি পুরনো প্রাসাদের নীচে ইট দিয়ে বন্ধ করে রাখা একটি ভূগর্ভস্থ ঘরের দেওয়ালের মধ্যে ব্যাগে ভরে এই সম্পদ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। উনিশ শতকের শেষ দিকে তৈরি ওই বাড়িটি একসময় ব্রিউয়ার থিওফিলাস ভ্যান আসশের মালিকানাধীন ছিল। বর্তমানে বাড়িটি সংস্কার করে নতুন অফিস ও আবাসন তৈরির কাজ চলছে।
ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া সমস্ত সম্পদ নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্সের প্রসিকিউটর দফতর এখন খতিয়ে দেখছে, এই সোনা চুরি করা হয়েছিল কি না বা কোনও অপরাধের সঙ্গে এর যোগ রয়েছে কি না। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকানা নিয়েও তৈরি হতে পারে আইনি জটিলতা। পুরনো পরিবারের উত্তরাধিকারী থেকে নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা—একাধিক পক্ষ এই গুপ্তধনের দাবিদার হতে পারেন।







