ওয়েব ডেস্ক: ভারতের বুকে ব্রিটিশ শাসন এবং দেশের পরাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’র (East India Company) নাম। এই ইউরোপীয় সংস্থার কাহিনির আনুষ্ঠানিক ইতি টানা হয়েছিল ১৮৭৪ সালে। তবে ইতিহাসের চাকা ঘুরে ২০১০ সালে নতুন আঙ্গিকে পুনর্জন্ম ঘটে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ উদ্যোক্তা সঞ্জীব মেহতা (Sanjeev Mehta) এই শতাব্দীপ্রাচীন সংস্থার স্বত্ব কিনে নিয়ে বিলাসবহুল দ্রব্যের ব্র্যান্ড হিসেবে ব্যবসা শুরু করেছিলেন।
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই পদক্ষেপ বহু মানুষের নজরে ছিল প্রতীকী তাৎপর্যে ভরা। যে কোম্পানির শাসনভার একসময় ভারতের উপর শোষণের ছাপ ফেলেছিল, সেই কোম্পানির মালিকানায় একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূতের আগমন অনেকের কাছে ছিল গর্বের বিষয়। আধুনিক রূপে সংস্থাটি চা, কফি, চকলেট, সুগন্ধি-সহ প্রিমিয়াম পণ্যের বাজারে নিজেদের জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: বিকিনি সুন্দরীদের মাঝে হকিং! ফাঁস হল ছবি, বিজ্ঞানীর কুকীর্তি দেখে হতবাক বিশ্ব
কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাজারে বেশিদিন গতি ধরে রাখতে পারল না আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থার ওয়েবসাইট ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। লন্ডনে তাদের একমাত্র শো-রুমও কার্যত ফাঁকা। কর্মীসংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলেই জানা যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সংস্থাটি আর্থিক সংকটে পড়ে কার্যত দেউলিয়া (Bankrupt) অবস্থায় পৌঁছেছে। আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পেরেন্ট সংস্থার কাছে প্রায় ৯ কোটি টাকার বেশি বকেয়া পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগ। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র এবং আর্থিক নিষ্পত্তি না হওয়ায় সংস্থার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







